উত্সবে কান ঝলাপালা আর নয়, শব্দ দূষণ মাপতে এসে গিয়েছে অ্যাপ

গত কয়েক বছরে কালীপুজোয় ফিরে এসেছে শব্দবাজির তাণ্ডব। সারারাত ধরে দুম-দাম আওয়াজে প্রায় পিলে চমকানোর জোগাড়। উত্সবে ডেসিবল মাপার জন্য এসে গিয়েছে অ্যাপ। ফোনে এই অ্যাপ ডাউনলোড করে নিলে আপনি নিজেই মেপে নিতে পারেন ডেসিবল।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০১৫ ১৪:০৩
Share:

দুর্গাপুজোয় ঢাকের বাদ্যি শুনলেই নাচতে শুরু করে মন। আর বাড়ি যদি হয় প্যান্ডেল থেকে মাত্র কয়েক পা তাহলে আর কথাই নেই। বাড়িটাও যেন গমগম করে ঢাকের আওয়াজে। তবে ঢাক তো গেল। কিন্তু তার সঙ্গে যে জুড়ে যায় সারাদিন লাউডস্পিকারের কান ফাটানো আওয়াজও। রাত যত বাড়তে থাকে ততই যেন বাড়তে থাকে এর দাপট। কান ঝালাপালা হয়ে, মাথা ধরে একেবারে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। পড়ে ভাবছেন এ তো আমারই গল্প। পুজোপাব্বনের দিন মানেই যেন ঘুমের বারোটা। এর মধ্যেই গত কয়েক বছরে কালীপুজোয় ফিরে এসেছে শব্দবাজির তাণ্ডব। সারারাত ধরে দুম-দাম আওয়াজে প্রায় পিলে চমকানোর জোগাড়। অতিষ্ঠ হয়ে পুজো কমিটি, পুলিশ, কর্পোরেশনের কাছে অভিযোগও জানাতে গিয়েছেন বহুবার। তবে ফিরে আসতে হয়েছে শুকনো মুখেই। তাই তো? এবারে বোধহয় একটু নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। উত্সবে ডেসিবল মাপার জন্য এসে গিয়েছে অ্যাপ। ফোনে এই অ্যাপ ডাউনলোড করে নিলে আপনি নিজেই মেপে নিতে পারেন ডেসিবল।

Advertisement

এই বছর গণেশ চতুর্থীর পর বম্বে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন বেশ বুক ফুলিয়েই জানিয়েছিল শব্দ দূষণের একটিও অভিযোগ জমা পড়েনি তাদের কাছে। তারপরই নড়েচড়ে বসেন বাণিজ্য নগরীর নাগরিকরা। নবরাত্রি শুরু হতেই তারা চালু করে দিয়েছেন ফোনের অ্যাপ। আর তাতে নবরাত্রির প্রথম দিনেই অ্যাপ বলছে লাউস্পিকারের আওয়াজ ছুঁয়েছে ৮২ থেকে ১০০ ডেসিবল পর্যন্ত। যেখানে অনুমতি রয়েছে মাত্র ৫৫ ডেসিবল। এ রাজ্যে এই অনুমতি ৬৫ ডেসিবল পর্যন্ত। তবে উত্সবের দিনে ৯০ ডেসিবল পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়েছে।

পাড়ায় শব্দ দূষণ রুখতে তাই সতর্ক থাকুন আপনি। চালু করে রাখুন ফোনের অ্যাপ। লাউডস্পিকার বা শব্দবাজির আওয়াজ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেই তা ধরা পড়বে আপানার হাতের স্মার্ট যন্ত্রটাতে। অভিযোগ জানাতে যান একেবারে হাতানাতে প্রমাণ নিয়ে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement