Arvind Kejriwal on Delhi Liquor Policy Case

অনেক কাদা ছোড়া হয়েছে, সারা দিন টিভিতে বলত আমি ভ্রষ্ট! আবগারি মামলা থেকে রেহাই পেয়ে কেঁদে ফেললেন কেজরী

আদালতের রায় শোনার পরেই বিজেপিকে আক্রমণ করেন কেজরী। প্রধানমন্ত্রী মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন তিনি। ক্যামেরার সামনেই কেঁদে ফেলেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৪
Share:

আদালতের রায় শোনার পর কেঁদে ফেলেছেন অরবিন্দ কেজরীওয়াল। ছবি: ভিডিয়ো থেকে।

আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির আদালতের রায় শুনে কেঁদে ফেললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। এই মামলা থেকে তাঁকে এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসৌদিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত। সঙ্গে আম আদমি পার্টির আরও ২১ জন নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, সিবিআইয়ের দেওয়া চার্জশিটে অনেক ত্রুটি রয়েছে। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে কেজরীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। আবগারি মামলায় কেজরী এবং মনীশ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন।

Advertisement

আদালতের রায় শোনার পরেই বিজেপিকে আক্রমণ করেন কেজরী। বলেন, ‘‘আপনারা কুর্সি চান, ভাল কাজ করে সেটা অর্জন করুন। এ ভাবে দেশের সংবিধান নিয়ে ছেলেখেলা করবেন না। মনীশ সিসৌদিয়া সৎ, আম আদমি পার্টি সৎ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি আমাদের উপর একের পর এক দোষ চাপাচ্ছিল, আদালত সব খারিজ করে দিয়েছে। সমস্ত অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিয়েছে। আমি প্রথম থেকেই বলে এসেছি, সত্যের জয় হবে। দেশের বিচারব্যবস্থার উপর আমার ভরসা ছিল। যে বিচারক আমাদের ন্যায়বিচার দিলেন, তাঁকে ধন্যবাদ।’’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। দাবি, আপ দলের পাঁচ জন বড় নেতাকে বিজেপি নিশানা করেছিল। কেজরী বলেন, ‘‘সিসৌদিয়াকে দু’বছর জেলে রাখা হয়। পুরো ভুয়ো মামলা। আমাদের উপর অনেক কাদা ছোড়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা টিভি চ্যানেলে খবর দেখানো হত। বলা হত, কেজরিওয়াল ভ্রষ্ট, দুর্নীতিগ্রস্ত।’’ এই বাক্যের পরেই কেঁদে ফেলেন কেজরী। কান্নায় তাঁর গলার স্বর বুজে আসে। জানিয়েছেন, তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছিল। ছ’মাস আটকে রাখা হয়েছিল। তখন তাঁর কান্না পায়নি। আদালতের নির্দেশ শুনে তিনি কেঁদে ফেলেন।

Advertisement

আবগারি মামলায় কেজরীকে ২০২৪ সালের জুন মাসে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। টানা তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ইডি-ও তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু কেজরী মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তিনিই হন দেশের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী যিনি পদে থাকা অবস্থায় হাজতবাস করেন। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জেল থেকে ছাড়া পান কেজরী। তবে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলছিল। সিবিআইয়ের মামলা থেকে আদালত তাঁকে অব্যাহতি দিল। এই পর্বের পর দিল্লির ভোটে হেরে যায় কেজরীর দল। ক্ষমতায় আসে বিজেপি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement