—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বিধানসভা ভোটে দলের বিপর্যয়ের পরে তৃণমূল কংগ্রেসে ‘ভাঙন’ আসন্ন কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে রাজনৈতিক শিবিরে। তবে এর মধ্যেও বিজেপি জানাচ্ছে, তাদের দলের দরজা ‘বিদ্রোহী তৃণমূলে’র জন্য বন্ধই থাকবে। প্রসঙ্গত, এই সূত্রে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ মনে করাচ্ছে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য একদা বলেছিলেন, কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূলের জন্মে সাহায্য করেছিলেন (‘লেবার রুমে ছিলেন’) অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবাণীর মতো ব্যক্তিত্ব। তবে বর্তমানে শমীক বলছেন, তাঁদের দরজা ‘দলবদলু’দের জন্য বন্ধই। রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ তৃণমূল দলটিকেই নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন।
দিল্লি যাওয়ার আগে মঙ্গলবার তৃণমূলের সাম্প্রতিক ‘মুষল-পর্ব’ নিয়ে শমীক বলেছেন, “তৃণমূল কোনও দলই ছিল না যে ভাঙবে। দুর্ভাগ্য আমাদের যে, এত বছর সাধনার পরে আমরা সরকার গড়লাম। কিন্তু দায়িত্বশীল বিরোধী দল নেই। এটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে বিপজ্জনক।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ‘সংঘর্ষের অতীত’কে স্বীকার করেও শাসক-মমতার ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন শমীক। এই সূত্রেই তাঁর সংযোজন, “মমতার দল নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। রাজ্যবাসী তাঁদের স্মৃতি থেকে মুছে ফেলতে চান। গণতান্ত্রিক ভাবে তাঁদের সরকার চলেনি। রাজ্যবাসী তাঁদের রাস্তায় বসিয়ে দিয়েছেন।” দিল্লিতে পৌঁছে ‘ভাল তৃণমূলে’র জন্য দরজা খোলা প্রসঙ্গে দলের অবস্থান স্পষ্ট করে শমীক আরও বলেছেন, “অনেকেই আসতে চাইছেন। কিন্তু দল ঠিক করেছে, এই মহূর্তে বা আগামী দিনে কোনও অবস্থাতেই বিজেপিতে দলবদলু কাউকে নেওয়া হবে না।
এই অবস্থায় রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ দাবি করেছেন, “বলেছিলাম যে তৃণমূল ভোটে হারলে লোকে ওঁদের গাছে বেঁধে পেটাবে! তা-ই হচ্ছে। পঞ্চায়েত প্রধান, পুরপ্রধানদের বেশির ভাগই পালিয়েছেন। কেউ কেউ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। অধিকাংশ বিধায়ক বেরিয়ে এসে নতুন দল তৈরি করবেন।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে