Harijan and Girijan

সরকারি নথিতে আর নয় ‘হরিজন’ ও ‘গিরিজন’! মহাত্মা গান্ধীর ব্যবহৃত শব্দবন্ধে এ বার নিষেধাজ্ঞা হরিয়ানায়

মহাত্মা গান্ধী ‘হরিজন’ শব্দবন্ধের ব্যবহার শুরু করেছিলেন দলিত (এসসি) সম্প্রদায়কে বোঝাতে। যার অর্থ, ঈশ্বরের সন্তান। ১৯৩৩ সালে ‘হরিজন’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশও শুরু করেছিলেন তিনি। মূল লক্ষ্য ছিল অস্পৃশ্যতা দূরীকরণ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৫
Share:

(বাঁ দিকে) মহাত্মা গান্ধী এবং নয়াব সিংহ সাইনি (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সমস্ত ধরনের প্রশাসনিক নথিতে ‘হরিজন’ এবং ‘গিরিজন’ শব্দবন্ধ ব্যবহারের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করল হরিয়ানার বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিংহ সাইনির নির্দেশে সে রাজ্যের মুখ্য সচিবের দফতর মঙ্গলবার এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে।

Advertisement

উত্তর, মধ্য এমনকি দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তফসিলি জাতি (এসসি)-র মানুষকে ‘হরিজন’ এবং তফসিলি জনজাতি (এসটি)-ভুক্তদের ‘গিরিজন’ বলে চিহ্নিত করার রেওয়াজ রয়েছে। কিন্তু সাইনি সরকারের নির্দেশিকায় লেখা হয়েছে, ‘‘ভারতীয় সংবিধানে এসসি-এসটি’দের চিহ্নিত করতে এমন কিছু শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়নি। তাই সমস্ত ধরনের সরকারি নথি, চিঠি কিংবা বিজ্ঞপ্তিতে সেগুলির ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

বিস্তারিত পর্যালোচনার পরেই এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও সরকারি নির্দেশিকা জানাচ্ছে। প্রসঙ্গত, মহাত্মা গান্ধী ‘হরিজন’ শব্দবন্ধের ব্যবহার শুরু করেছিলেন দলিত (এসসি) সম্প্রদায়কে বোঝাতে। যার অর্থ, ঈশ্বরের সন্তান। ১৯৩৩ সালে ‘হরিজন’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশও শুরু করেছিলেন তিনি। যার মূল লক্ষ্য ছিল অস্পৃশ্যতা দূরীকরণ। যদিও বিআর অম্বেডকর ‘হরিজনে’র বদলে দলিত শব্দটি ব্যবহার করতেন। বিন্ধ্য, সাতপুরা পাহাড়ে বসবাসকারী জনজাতিদের ‘গিরিজন’ (যার অর্থ পাহাড়ের বাসিন্দা) বলে চিহ্নিত করা হয় দীর্ঘদিন থেকেই।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement