(বাঁ দিকে) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
খামেনেইয়ের মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত হতেই তেহরানে শোকের আবহ। রাস্তায় নেমে পড়েছেন অনেকে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মহিলারা। কয়েক জনকে খামেনেইয়ের ছবি হাতে কাঁদতে দেখা গিয়েছে।
ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা রবিবার সকালে জানিয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান, বিচারব্যবস্থার প্রধান এবং অভিভাবক কাউন্সিলের এক আইন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে আপাতত একটি তিন সদস্যের কাউন্সিল তৈরি করা হচ্ছে। পরবর্তী শাসক নির্ধারিত না-হওয়া পর্যন্ত সাময়িক ভাবে এই কাউন্সিল দেশ চালাবে।
খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করলেন, এ বার ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে। একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেছেন।
ইজ়রায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নতুন করে পশ্চিম ও মধ্য ইরানের ৩০টি জায়গায় তারা হামলা চালিয়েছে। হামলা চলবে।
খামেনেইয়ের কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও মৃত্যু হয়েছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের বাহিনীর যৌথ হামলায়। মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের প্রধান উপদেষ্টা এবং ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি শামকানিরও।
খামেনেইয়ের মৃত্যুতে টানা ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে ইরানে। সে দেশের সরকারি সংবাদসংস্থা এই খবর জানিয়েছে।
ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে। পাল্টা প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। রবিবার সকালে তারা জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইজ়রায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে তীব্র’ হামলা শুরু হতে চলেছে আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হামলাটা এ বার তারা করবে।