(বাঁ দিক থেকে) রক্ষিতা এবং মা-বাবা। ছবি: সংগৃহীত।
বিয়ের আগের রাতে এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হল বাড়ি থেকে। উদ্ধার হল তাঁর বাবা-মায়ের দেহও। বিয়ের তোড়জোড়ের পরে কেন হঠাৎ করে তিন জন আত্মঘাতী হলেন তা ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাড়ছে রহস্যও।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন রক্ষিতা (২১), তাঁর বাবা শিবান্না (৫০) এবং মা নাগরত্ন (৪৫)। পড়শিরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রক্ষিতার বিয়ে ছিল। বাড়িতে সমস্ত কিছুর আয়োজন করা হয়েছিল। অতিথিরাও এসে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাঁদের তিন জনের কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে আত্মীয়েরা বিস্মিত হন। তার পরই ঘর থেকে তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্থানীয় এক ব্যক্তি রক্ষিতাদের পরিবারকে নানা ভাবে হেনস্থা করছিলেন। শাসাচ্ছিলেন। উল্লাস গৌড়া নামে ওই ব্যক্তি রক্ষিতাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর পরিবার তাতে সায় দেয়নি। অভিযোগ, তার পর থেকেই রক্ষিতা এবং তাঁর পরিবারকে নানা ভাবে হেনস্থা করা শুরু করে। রক্ষিতার বিয়ে অন্যত্র স্থির হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ, রক্ষিতাকে মেসেজ করে লাগাতার উত্ত্যক্ত করছিলেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁর বিকৃত ছবি ছড়াচ্ছিলেন। ফলে গোটা পরিবার একটা মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। ঘর থেকে একটি চিঠি উদ্ধার হয়েছে। সেখানে উল্লাসকে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করে যাওয়া হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের খবর। তবে চিঠিটি কার লেখা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।