টুকরো খবর

সংসদে চলতি অধিবেশনেই বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল পাশ করিয়ে নিতে চায় সরকার। বিদেশ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটি নিয়ে ইতিবাচক রিপোর্ট জমা দিয়েছে লোকসভায়। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই রিপোর্টে সম্মতি দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুগত বসু। যদিও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিলটিকে সমর্থন করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। স্থলসীমান্ত চুক্তি করে দ্রুত ছিটমহল হস্তান্তরের মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে দু’দেশের সীমান্ত পুরোপুরি সিল করে দিতে চান নরেন্দ্র মোদী।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০২ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:৪৩
Share:

ছিটমহল নিয়ে বিল দ্রুত পাশের চেষ্টা দিল্লির
নিজস্ব সংবাদদাতা • নয়াদিল্লি

Advertisement

সংসদে চলতি অধিবেশনেই বাংলাদেশের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল পাশ করিয়ে নিতে চায় সরকার। বিদেশ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটি নিয়ে ইতিবাচক রিপোর্ট জমা দিয়েছে লোকসভায়। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই রিপোর্টে সম্মতি দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সুগত বসু। যদিও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিলটিকে সমর্থন করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। স্থলসীমান্ত চুক্তি করে দ্রুত ছিটমহল হস্তান্তরের মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে দু’দেশের সীমান্ত পুরোপুরি সিল করে দিতে চান নরেন্দ্র মোদী। মন্ত্রিসভার এক সদস্যের কথায়, “প্রধানমন্ত্রী কাল সীমান্ত সিল করার কথা বলেছেন। এর পিছনেও রয়েছে ছিটমহল হস্তান্তরের বিষয়টি। কারণ, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শুধু কিছু নদী এলাকা ও ছিটমহল অংশেই কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ বাকি।” ছিটমহল হস্তান্তরে অসমের চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের জমি বেশি যাবে। কিন্তু ওই চুক্তিতে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা নয় অসম শাখাই আপত্তি করে আসছে। মোদী জমানায় এ বার তাদের বোঝানো যাবে বলেই আশা রাখছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ আজ স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়ে মোদীর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার বক্তব্য, কেন্দ্রে বিরোধী থাকাকালীন ওই চুক্তির বিরুদ্ধে সরব ছিল বিজেপি। ক্ষমতায় এসে সেই চুক্তির পক্ষেই সওয়াল করছেন মোদী! সংসদীয় মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডু আজ বলেন, “সরকার বদল হলেও বিদেশ নীতিতে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। সে দিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা পদক্ষেপ করব।”

Advertisement

উদ্বোধনে

ত্রিপুরার পালাটানায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “পরিবেশবান্ধব এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিশ্বের শক্তি উৎপাদনের মানচিত্রে ত্রিপুরা স্থায়ী ভাবে প্রতিষ্ঠিত হল।” মোদী জানান, পালাটানার বিদ্যুৎ বাংলাদেশে দেওয়ার জন্য ভারত প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান উপদেষ্টা তৌফিক ইলাহি চৌধুরী, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, ত্রিপুরার রাজ্যপাল পদ্মনাভ বালকৃষ্ণ আচার্য, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

আজ ভোট

জম্মু ও কাশ্মীর এবং ঝাড়খণ্ডে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট মঙ্গলবার। জম্মু-কাশ্মীরে ভোট হবে জম্মুর ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভাগ্য পরীক্ষা হবে ৮৫ জন প্রার্থীর। ঝাড়খণ্ডে ভোট হবে ২০টি কেন্দ্রে। ভাগ্যপরীক্ষা বিজেপির অর্জুন মুন্ডা, মধু কোড়ার মতো হেভিওয়েট প্রার্থীরও। জঙ্গি অধ্যুষিত কেন্দ্রও রয়েছে। তাই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে চারটি কপ্টার ও ৪০ হাজার জওয়ান।

সিবিআই নিয়ে

মঙ্গলবারই নতুন সিবিআই প্রধান বাছাই করতে বৈঠকে বসছেন নরেন্দ্র মোদী। কালই রঞ্জিত সিন্হা অবসর নিচ্ছেন। তাই দিল্লি ফিরেই মোদী এই বৈঠক ডেকেছেন। প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি ও লোকসভায় বৃহত্তম বিরোধী দল কংগ্রেসের দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে নিয়ে গঠিত কলেজিয়াম ঠিক করবে নতুন সিবিআই প্রধান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement