টুকরো খবর

রাজ্যের অনাথ মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য করতে নতুন প্রকল্প চালু করল মেঘালয় সরকার। ‘মুখ্যমন্ত্রী বিবাহ সহায়তা প্রকল্পে’ ১৮ বছরের ঊর্দ্ধে কোনও অনাথ মেয়ের বিয়ের জন্য সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো যাবে। আবেদনপত্র পাওয়া যাবে সমস্ত জেলার সমাজকল্যাণ দফতর ও ব্লকের শিশু বিকাশ প্রকল্প অফিসে।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৩:০২
Share:

অনাথ মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য করবে মেঘালয়

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • গুয়াহাটি

রাজ্যের অনাথ মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য করতে নতুন প্রকল্প চালু করল মেঘালয় সরকার। ‘মুখ্যমন্ত্রী বিবাহ সহায়তা প্রকল্পে’ ১৮ বছরের ঊর্দ্ধে কোনও অনাথ মেয়ের বিয়ের জন্য সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো যাবে। আবেদনপত্র পাওয়া যাবে সমস্ত জেলার সমাজকল্যাণ দফতর ও ব্লকের শিশু বিকাশ প্রকল্প অফিসে। গারো পাহাড়ের তুরায় ওই প্রকল্পের সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা কয়েক জন আবেদনকারীর হাতে চেক তুলে দেন। পাশাপাশি, টেংকোলে শিশুকন্যাদের জন্য আবাসের উদ্বোধনও করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দরিদ্র, অনাথ মেয়েরা যাতে বিয়ে করে সংসার গড়তে পারেন, সে জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে সরকারি সাহায্য ঠিক জায়গায় পৌঁছচ্ছে কি না, তা দেখতে হবে।” তিনি জানান, রাজ্যের দুঃস্থ মহিলাদের জন্য ২০১২ সাল থেকে কয়েকটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। কিন্তু দেখা গিয়েছে, যাঁদের জন্য প্রকল্প তৈরি তাঁরাই বিভিন্ন কারণে তার সুফল পাননি। সাংমার বক্তব্য, “গ্রামের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার জন্য জেলা সদরে যায়। কিন্তু, সেখানে ছাত্রাবাস না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই সব জেলায় ছাত্রাবাস তৈরি করা হবে।” পাশাপাশি, সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে অনেক অভিযোগ মিলছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি পরিষেবার গুণমান বজায় রাখতে আইন প্রণয়নের জন্য আগামী বিধানসভা অধিবেশনে নতুন দু’টি বিল পেশ করা হবে। ‘সার্ভিস ডেলিভারি অ্যাক্ট’ ও ‘সোশ্যাল পলিসি অ্যাক্ট’ নামে ওই আইনের মাধ্যমে রাজ্যে সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের উপরে নজর রাখা হবে।

Advertisement

প্রিয়ঙ্কার ছবি দেখে বিপাকে বিধায়ক

সংবাদ সংস্থা • বেলাগাভি (কর্নাটক)

অধিবেশন কক্ষে বসে মোবাইলে প্রিয়ঙ্কা গাঁধীর ছবি দেখা নিয়ে বৃহস্পতিবার হইচই হল কর্নাটক বিধানসভায়। বুধবার বিধানসভার অধিবেশন চলার সময় বিজেপি বিধায়ক প্রভু চহ্বাণ মোবাইলে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গাঁধীর ছবি ‘জুম’ করে দেখছিলেন। টিভি ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়ে। শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। আজ ঘটনার প্রতিবাদে বিধানসভায় চিৎকার-চেঁচামিচি শুরু করে দেন কংগ্রেস বিধায়করা। প্রভু চহ্বাণ ‘অশালীন কাজ’ করেছেন, এই অভিযোগ তুলে তাঁর শাস্তিত দাবিতে নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। হই-হট্টগোলের জেরে দশ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার। তবে প্রভু চহ্বাণ দাবি করেছেন, ‘জুম’ করে তিনি প্রিয়ঙ্কা গাঁধীর ছবি দেখছিলেন না। প্রিয়ঙ্কার ছবির তলায় একটি স্লোগান লেখা ছিল। সেটিই পড়ার চেষ্টা করছিলেন। বিধানসভায় তো মোবাইল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ? প্রভুর জবাব, “হ্যাঁ বিধানসভায় মোবাইল নিয়ে এসে ভুল করেছি।” স্পিকারও জানান, প্রভু চহ্বাণ তাঁর ঘরে গিয়ে এই কাজের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। এবং ক্ষমা চাওয়ার সময় তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। তাই সভার কাজ চলতে দেওয়া হোক। তবু কংগ্রেস বিধায়করা শান্ত না হওয়ায় অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়।

বৃহৎ নদীবাঁধ নিয়ে বৈঠক

নিজস্ব সংবাদদাতা • গুয়াহাটি

অসমের ধেমাজিতে বৃহৎ নদীবাঁধ তৈরির বিষয়ে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য শুনলেন কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, বিদ্যুৎ মন্ত্রকের কর্তা ও বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা। তবে, ঘণ্টাখানেকের ওই বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। ধেমাজির গেরুকামুখে বৃহৎ বাঁধ তৈরির বিরুদ্ধে আন্দোলন চালানো সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞদের তরফে সব রকম ‘সবুজ সঙ্কেত’ পাওয়ার পরই বাঁধের কাজ ফের শুরু করা যাবে। স্থানীয় মানুষের স্বার্থ বিঘ্নিত হতে দেওয়া চলবে না। এ দিকে আজই দিসপুরে অসমের বিদ্যুৎমন্ত্রী প্রদ্যোৎ বরদলৈ বলেন, “চিন চায় না অসমে বড় নদীবাঁধ তৈরি হোক। তাই ভারতের দ্রুত বাঁধের কাজ শেষ করা উচিত।” অসমের ধেমাজি জেলায় ২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বৃহৎ নদীবাঁধ গড়ছে এনএইচপিসি। কাজ অর্ধেক শেষ হওয়ার পর, ২০১১ সালে অসমের ২৬টি সংগঠন যৌথ ভাবে নদীবাঁধ বিরোধী আন্দোলন শুরু করে। তাদের দাবি ছিল, বাঁধ তৈরি হলে নামনি সুবনসিরি উপত্যকায় এক দিকে অনেক গ্রাম ধ্বংস হয়ে যাবে। নিশ্চিহ্ন হবে জলজ প্রাণী। ভূমিকম্পে বাঁধের ক্ষতি হলে মাজুলি পর্যন্ত নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে।

নদীতে নিখোঁজ

নিজস্ব সংবাদদাতা • ধুবুরি

নদী থেকে মাছ ধরার জাল তুলতে গিয়ে গভীর জলে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক জন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ধুবুরির গোলকগঞ্জ থানার দক্ষিণ টোকরেছরা গ্রামের গঙ্গাধর নদীর ঘটনা। পুলিশ জানায়, এ দিন বিকেলে গোলকগঞ্জ থানার উত্তর রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা কামাখ্যা দাস নামের বছর পঁয়তাল্লিশের এক ব্যক্তি তাঁর এক বন্ধুর হারিয়ে যাওয়া মাছ ধরার জাল জল থেকে তুলতে গঙ্গাধর নদীতে নামেন। গভীর জলে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। স্থানীয় বাসিন্দারা স্থানীয় ডুবুরি এবং পুলিশের ও এসডিআরএফ-এর জওয়ানেরা ডুবে যাওয়া ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করার জন্য চেষ্টা শুরু করে। যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে উদ্ধার করা যায়নি।

কুয়াশার জন্য আটকে বিমান

নিজস্ব সংবাদদাতা • গুয়াহাটি

কুয়াশার জন্য অসমের বিদায়ী রাজ্যপাল জানকীবল্লভ পটনায়েককে নিয়ে বিমান উড়ল নির্দিষ্ট সময়ের তিন ঘণ্টা পর। ৫ বছরের কার্যকাল শেষে গত কাল রাজভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদায় নেন রাজ্যপাল। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, সকাল ৮টা ২০ মিনিটের বিমানে তাঁর কলকাতা যাওয়ার কথা ছিল। ঘন কুয়াশা থাকায় গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ থাকায় গুয়াহাটিতে নামার আগে একাধিক বিমানকেও ঘণ্টাখানেক আকাশে চক্কর কাটে। পরে রাজ্যপালকে নিয়ে বেলা ১১টা ৩৫-এ বিমানটি রওনা দেয়।

তিনশো দিলেই জাল লাইসেন্স

সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি

নিজের কালো অতীত লুকোতে পুলিশের কাছ থেকেই চরিত্রের জাল শংসাপত্র জোগাড় করেছিল উবের চালক শিবুকমার যাদব। দিল্লি ধর্ষণ-কাণ্ডে অভিযুক্ত এই ট্যাক্সিচালক গ্রেফতার হওয়ার পরে এমন অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্যই সামনে এসেছে। আজ আবার একটি টিভি চ্যানেলের দৌলতে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স জোগাড় করা কত সহজ। তার জন্য সাড়ে চার থেকে আট হাজার টাকা খরচ করলেই হল। আর এ সব কারবার হয় পরিবহণ অফিসের বাইরেই। আরও পাঁচশো দিলে গাড়ি চালানোর জন্য ১৫ দিনের প্রশিক্ষণটুকুও নিতে হয় না। আর এই সব কিছুই হয়ে যায় এক দিনেরও কম সময়ে। জাল লাইসেন্স হলে তো কথাই নেই। মাত্র তিনশো টাকা খসালেই হাতে চলে আসবে তা। আজ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে শিবকুমারকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর অন্ধকার অলিগলি ও অপরাধপ্রবণ অংশে আগামী মাস থেকে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। দেশে প্রথম এমন উদ্যোগ হচ্ছে বলে দাবি তাদের। অন্ধকারে ব্যবহার করা যায় এমন ক্যামেরা থাকবে ড্রোনে।


বৃহস্পতিবার ছিল দিলীপকুমারের ৯২তম জন্মদিন। বেশ কিছু দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর

সেই দিনই ছাড়া পেলেন তিনি। বাড়ির পথে রওনা দেওয়ার আগে স্ত্রী সায়রা বানুর আদর। ছবি: পিটিআই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement