মুম্বইয়ের এক হোটেলের মালিকানা সংক্রান্ত মামলায় ঘুষ দেওয়ার অভিযোগের তদন্তে সিবিআই। —প্রতীকী চিত্র।
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইবুনাল (আদালত)-এর মুম্বই বেঞ্চের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। একটি হোটেলের মালিকানা সংক্রান্ত মামলায় ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। পাকড়াও করা হয়েছে তাঁর এক সহযোগীকেও। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য মুম্বইয়ের আদালতের আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
গত ২৯ মে ট্রাইবুনালের মুম্বই বেঞ্চের ওই আধিকারিক এবং তাঁর এক ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ট্রাইবুনালের ওই আধিকারিকের হয়ে তাঁর ঘনিষ্ঠই ঘুষের টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই অনুসারে, একটি হোটেলের মালিকানা সংক্রান্ত মামলার জন্য ঘুষ চাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের। ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়াও হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। দু’জনকে গ্রেফতারির পরে সেই দিনই মুম্বইয়ের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় সিবিআই। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল।
এ বার ফের নতুন করে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ঘুষকাণ্ডে তাঁদের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। ওই মামলার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। শুধু তা-ই নয়, এই ঘটনায় আর কোনও সরকারি আধিকারিক বা অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। সিবিআইয়ের দাবি, তদন্তের অগ্রগতির জন্য ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে হবে। ২৯ মে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার পর তদন্তকারী আধিকারিক তাঁদের জেরা করার পর্যাপ্ত সময় পাননি বলেই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।
অন্য দিকে অভিযুক্ত আধিকারিক জামিনের জন্য আবেদন জানিয়েছেন আদালতে। আধিকারিকের আইনজীবীর দাবি, ওই ঘটনায় তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও প্রমাণ নেই। দু’টি আবেদনেরই আগামী সপ্তাহে শুনানি রয়েছে আদালতে।