Twisha Sharma Mysterious Death

ত্বিশার মৃত্যুরহস্য: ৩৪ মিনিটের নতুন ভিডিয়ো পেল সিবিআই! শ্বশুরবাড়ির ফুটেজ বিশ্লেষণ করছেন তদন্তকারীরা

ত্বিশার দেহ উদ্ধারের পরের দিন, গত ১৩ মে স্থানীয় পুলিশ শ্বশুরবাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছিল। মোট আটটি সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু ওই ফুটেজ ঘিরে ‘বিভ্রান্তি’ রয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ১১:৩০
Share:

ত্বিশা শর্মা। গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। —ফাইল চিত্র।

ত্বিশা শর্মার মৃত্যুরহস্যের তদন্তে আরও নতুন তথ্য পেল সিবিআই। মিলেছে একটি নতুন ভিডিয়ো। সূত্রের খবর, ৩৪ মিনিটের একটি ভিডিয়ো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গিয়েছে। ভোপালে তাঁর শ্বশুরবাড়ির অকুস্থল সিল হওয়ার আগে কী ঘটেছিল, সেই দৃশ্য রয়েছে ফুটেজে। নতুন উদ্ধার হওয়া এই ভিডিয়োটি এ বার বিশ্লেষণ করে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকেরা।

Advertisement

গত ১২ মে রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। সূত্রের খবর, ওই ঘর খোলার পর থেকে অকুস্থল সিল হওয়ার আগে পর্যন্ত সেখানে কী কী ঘটেছিল, তার কিছু দৃশ্য ওই ফুটেজে ধরা পড়েছে। তবে নির্দিষ্ট ভাবে সেখানে কী কী রয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসেনি। পাশাপাশি অকুস্থল সিল করার সময়ে স্থানীয় পুলিশও সেই অকুস্থল ভিডিয়ো রেকর্ডিং করেছিল। ওই ভিডিয়ো ফুটেজও এখন সিবিআই-এর হাতে রয়েছে। এই সব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

বস্তুত, ত্বিশার দেহ উদ্ধারের পরের দিন, গত ১৩ মে স্থানীয় পুলিশ শ্বশুরবাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছিল। মোট আটটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু ওই ফুটেজ ঘিরে ‘বিভ্রান্তি’ রয়েছে। অভিযোগ, সিসি ক্যামেরায় যে সময় দেখা যাচ্ছে, তা প্রকৃত সময়ের চেয়ে প্রায় ২ দিন ২ ঘণ্টা পিছিয়ে। তবে ত্বিশার শাশুড়ি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিংহের দাবি, সিস্টেমে ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটির’ কারণে এই সমস্যা হয়েছে। এ অবস্থায় নতুন সন্ধান পাওয়া এই ৩৪ মিনিটের ভিডিয়ো থেকে সিবিআইয়ের তদন্ত কোন দিকে অগ্রসর হয়, সে দিকে নজর থাকবে।

Advertisement

ত্বিশার স্বামী সমর্থ সিংহ এবং শাশুড়ি গিরিবালাকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের নিয়ে ইতিমধ্যে ভোপালের অকুস্থলে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, ত্বিশার স্বামী তদন্তকারীদের কাছে জেরায় দাবি করেছেন, ছাদে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তড়িঘড়ি তাঁর দেহকে উপরের দিকে তুলে ধরেছিলেন যাতে ফাঁস আলগা হয়। তাঁর মা দড়ির ফাঁস খোলেন। তার পর দু’জনে মিলে ধরাধরি করে ত্বিশাকে নামান। এই দাবির সত্যতা যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement