—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
দেশের প্রতিটি রাজ্যের বাড়ির তালিকা ধরে তথ্য সংগ্রহের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গিয়েছে। ঠিক হয়ে গিয়েছে প্রশ্নমালাও। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও রাজ্যে জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি বলে জানালেন দেশের রেজিস্ট্রার জেনারেল তথা সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ। গত কাল বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিব ও নোডাল অফিসারদের সঙ্গে দিল্লিতে হওয়া বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের পক্ষ থেকে কোনও আমলা উপস্থিত ছিলেন না বলেও জানিয়েছে সেন্সাস কমিশনারের দফতর।
আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিটি রাজ্যের প্রতিটি বাড়ির তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। গোটা দেশে জনগণনার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১১,৭১৮ কোটি টাকা মঞ্জুর করে ফেলেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও রাজ্যে জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। ফলে জনগণনার প্রথম দফায় গৃহতালিকা তৈরি ও গৃহগণনার যে কাজ হয়, তার মহড়া বা ‘প্রি-টেস্ট’ পশ্চিমবঙ্গে করা যায়নি। দেশের বাকি রাজ্যে নভেম্বর মাসে এই কাজ হয়ে গিয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, জট কাটাতে গত বছরের শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ স্তর থেকে নবান্নকে বার্তা পাঠিয়ে জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারির অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও যে কাজ হয়নি তা গত কাল স্পষ্ট করেছেন খোদ রেজিস্ট্রার জেনারেল।
সূত্রের মতে, জনগণনা সংক্রান্ত সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিব ও নোডাল অফিসারদের বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি রাজ্য যারা এখনও জনগণনা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি এবং কোনও নোডাল অফিসারও নিয়োগ করেনি। গত কাল পশ্চিমবঙ্গের কোনও আমলাও ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। সরকারি ভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জনগণনা নিয়ে আপত্তির কথা না বললেও রাজ্যের আমলাদের মত হল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ-এনপিআর-এনআরসি-র বিরুদ্ধে। জাতগণনা নিয়েও তাঁর আপত্তি রয়েছে। সেটাই সম্ভবত জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারি না করার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে