Ram mandir Donation Theft

রাম মন্দির: ভিএইচপির অস্বস্তি, মুষল পর্বের ইঙ্গিত

রাম মন্দির অনুদান চুরি কাণ্ডে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট যোগী প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি)।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ০৮:০৯
Share:

রামমন্দির। —ফাইল চিত্র।

অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান চুরিকে কেন্দ্র করে মুষল পর্বের ইঙ্গিত বিজেপি ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর মধ্যে। ওই মামলায় দ্রুত এফআইআর দায়ের করে ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে বিচারের জন্য জন্য উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনের কাছে প্রকাশ্যে দাবি জানিয়ে সরব হয়েছে ভিএইচপি। সূত্রের মতে, অভিযোগের আঙুল ভিএইচপি ঘনিষ্ঠদের দিকে উঠতে শুরু করায় দায় এড়াতেই এই কৌশল।

রাম মন্দির অনুদান চুরি কাণ্ডে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট যোগী প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি)। যাতে ১৭ জন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে তারা। এ ছাড়াও দেড়শোর কাছাকাছি মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত সেবাদারের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে এঁদের অনেকেরই সম্পদ কয়েক গুণ বেড়েছে। সম্পত্তি বৃদ্ধির তালিকায় নাম উঠে এসেছে ফুলকান্ত মিশ্র নামে মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির। যিনি ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র’-এর সাধারণ সম্পাদক তথা ভিএইচপি-র সহ-সভাপতি চম্পৎ রাইয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

চুরি কাণ্ডে এক দিকে যেমন যোগী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে আরএসএসের শাখা সংগঠন ভিএইচপি-র ভূমিকা নিয়েও। সূত্রের বক্তব্য, ঘটনার দায় কে নেবে তা নিয়ে উভয় পক্ষ পরস্পরের দিকে আঙুল তুলতে শুরু করেছে। এই আবহে আজ ভিএইচপি সভাপতি (আন্তর্জাতিক) অলোক কুমার সমাজমাধ্যমে অবিলম্বে ওই চুরি কাণ্ডে এফআইআর দায়ের করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

এক দিকে রাম মন্দিরের চুরি, অন্য দিকে মধ্যপ্রদেশের জমি কেলেঙ্কারি— দু’টি ঘটনাতেই সামগ্রিক ভাবে অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। এসপি নেতা অখিলেশ যাদবের দাবি, ওই দুই ঘটনাকে হাতিয়ার করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবকে পদ থেকে সরানোর কৌশল নিতে চলেছেন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ওই জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে আজ দিল্লিতে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি জীতু পাটওয়ারি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে মোহন যাদব কী পরিমাণ জমি কিনেছেন তার হিসাব জনসমক্ষে দিতে হবে।’’ যদিও মধ্যপ্রদেশ সরকারের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে মোহন যাদব বা তাঁর স্ত্রী কোনও জমি কেনেননি।

পাল্টা আক্রমণে বিজেপি নেতা প্রদীপ ভান্ডারি অভিযোগ তোলেন, কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ও তাঁর ছেলে প্রিয়ঙ্ক কর্নাটকে কংগ্রেস সরকার থাকার সুবাদে সিদ্ধার্থ বিহার ট্রাস্টের নামে প্রচুর জমি কিনেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন