Congress

দফতর নিয়ে সাময়িক স্বস্তিতে কংগ্রেস

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের এস্টেট বিভাগ শনিবারের মধ্যে ২৪ আকবর রোডের বাংলো খালি করতে নোটিস দিয়েছিল। একই সঙ্গে ৪ নম্বর রাইসিনা রোডে যুব কংগ্রেসের সদর দফতরের বাংলোও খালি করতে বলা হয়।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫৯
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

সাড়ে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির ২৪ নম্বর আকবর রোডের কংগ্রেসের দফতর খালি করতে নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এ ব্যাপারে কংগ্রেস সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে বলে সূত্রের খবর। ওই সূত্রটি জানিয়েছে, দফতর ছাড়ার নোটিস পাওয়ার পরে দিল্লি প্রশাসনের শীর্ষস্তরের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেই মোতাবেক ২৪ আকবর রোডের ঠিকানায় আরও ছ’মাস কংগ্রেস দফতর রাখতে পারবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের এস্টেট বিভাগ আগামিকাল, শনিবারের মধ্যে ২৪ আকবর রোডের বাংলো খালি করতে নোটিস দিয়েছিল। একই সঙ্গে ৪ নম্বর রাইসিনা রোডে যুব কংগ্রেসের সদর দফতরের বাংলোও খালি করতে বলা হয়।

ওই নোটিস পাওয়ার পরেই রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের নেতা অশোক গহলৌত এবং আর এক নেতা অজয় মাকেনকে কংগ্রেস প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব দেয়। সূত্রের খবর, ২৪ আকবর রোডের বাংলোটি খালি করতে কংগ্রেসকে আরও ছ’মাস সময় দিতে পারে সরকার। এরই মধ্যে আইনি পথের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজ্যসভার কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আইনি বিষয়টি দেখছেন।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, সনিয়া গান্ধীর ১০ জনপথ লাগোয়া বাংলোটি দলের কোনও সাংসদ বা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নামে করিয়ে নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে। যাতে সংশ্লিষ্ট নেতার নামে বাংলোটি হলে কংগ্রেস সেখানে কাজ চালাতে পারবে।

বিষয়টি নিয়ে অবগত এক কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, বাংলো খালি করার প্রাথমিক খবর পাওয়া গিয়েছিল প্রায় ২৫ দিন আগে। ৯এ, কোটলা মার্গে নতুন তৈরি সদর দফতর ‘ইন্দিরা ভবন’-এ কংগ্রেস মহিলা, যুব এবং ছাত্র সংগঠনের দফতরগুলি সরিয়ে নিচ্ছে।

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের এস্টেট বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, লাটিয়েন্স বাংলো জ়োনে কোনও রাজনৈতিক দল সরকারের বরাদ্দকৃত একাধিক সম্পত্তি রাখতে পারবে না। আইন অনুযায়ী, কোনও দলের জন্য স্থায়ী অফিস বা জমি বরাদ্দ হওয়ার পরে তাদের আগের বা অস্থায়ী জায়গা খালি করে দিতে হবে।

১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে ২৪ আকবর রোডের বাংলো থেকে কাজ শুরু করেছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। পরে ওই ঠিকানা কংগ্রেসের সদর দফতর হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যায়। যদিও এখন আর সেখানে সদরদফতর নেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন