—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
যেখানে যে দল সরকারে, সেখানেই তাদের উপরে বিএলও-দের উপরে চাপ তৈরির অভিযোগ। কোথাও ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার জন্য, কোথাও নাম না কাটার জন্য। পশ্চিমবঙ্গে বিএলও-দের আত্মহত্যার অভিযোগ নিয়ে বিজেপি বলছে, তৃণমূলের চাপেই বিএলও-রা চরম পথ বেছে নিচ্ছেন। বিজেপি-শাসিত রাজস্থানে অভিযোগ উঠেছে, শাসক দল বিরোধীদের ভোট কাটার জন্য বিএলও-দের উপর চাপ তৈরি করছে। সে কারণে তাঁরা আত্মহত্যার কথা ভাবছেন। রাজস্থানের কংগ্রেস নেতারা বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসনের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন।
রাজস্থানে গত দু’এক দিনে এক বিএলও-র ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। জয়পুরের হাওয়ামহলের বিএলও কীর্তি কুমার শর্মাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি জেলাশাসকের সামনে ভোটার তালিকা নিয়ে বসে সেখানেই আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন। তিনি ফোনে বলছেন, এত চাপ দিলে তিনি আত্মহত্যা করবেন। রাজস্থানের কংগ্রেস নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত, প্রদেশ সভাপতি গোবিন্দ ডোটাসরা, বিরোধী দলনেতা টিকারাম জুলি অভিযোগ তুলেছেন, কংগ্রেসের জেতা আসনগুলোতে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে যত ভোটের ব্যবধান, তত সংখ্যক ভোটারের নাম কাটতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বিএলও-দের। রাজস্থানের এসআইআর-এ রাজ্যের ৫.৪৬ কোটি ভোটারের মধ্যে খসড়া তালিকায় ৪২ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ন্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে।
আর এক বিজেপি-শাসিত রাজ্য হরিয়ানায় এখনও এসআইআর শুরু হয়নি। এই হরিয়ানাতেই রাহুল গান্ধী ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন। এসআইআর-এর প্রস্তুতির জন্য সেখানে এখন ম্যাপিং-এর কাজ চলছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, হরিয়ানায় আগে থেকেই ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চিত্রনাট্য তৈরি হচ্ছে। ২ কোটি ভোটারের মধ্যে এখনই ২৯ লক্ষকে ‘সন্দেহজনক’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, ‘‘এটা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, ভোটারদের নাম কাটার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে