Congress slams Central Government

ডিজিটাল জনগণনায় দ্রুত তথ্য, কংগ্রেসের নিশানায় কেন্দ্র

আজ কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, জনগণনার প্রথম দফার তথ্য ২০২৭ সালেই প্রকাশ্যে চলে আসবে বলে রেজিস্ট্রার জেনারেল জানিয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৯:৪১
Share:

রাহুল গান্ধী। ফাইল চিত্র।

এত দিন কাগুজে ফর্মে জনগণনার তথ্য সংগ্রহ করা হত। তারপরে সেই তথ্য কম্পিউটারে লিখে বা স্ক্যান করে জনগণনার পোর্টালে জমা পড়ত। এ বার জনগণনার সময়ে আধিকারিকেরা মোবাইল ব্যবহার করবেন। ফলে সরাসরি জনগণনার তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে জমা হতে থাকবে। জনগণনার প্রথম পর্বে গৃহতালিকা তৈরি ও গৃহগণনার কাজ হবে। তার আগে দেশের নাগরিকদের স্ব-গণনা বা জনগণনার পোর্টালে গিয়ে নিজের তথ্য জমা করারও সুযোগ থাকবে। ফলে কাজ দ্রুত হবে।

আজ রেজিস্ট্রার জেনারেল তথা জনগণনা কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, যেহেতু এ বার ডিজিটাল জনগণনা হচ্ছে, তাই ২০২৭ সালেই জনগণনার অধিকাংশ তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসবে।নারায়ণের এই মন্তব্যের পরেই কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, তা হলে মোদী সরকার ২০২৯-এর আগে জনগণনার ফল আসবে না বলে কেন ২০১১-র জনগণনার ভিত্তিতে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস করে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনে যেতে চাইছে?মোদী সরকার ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন পাশ করলেও তাতে বলা ছিল, ২০২৭-এ জনগণনার পরে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস হবে। তারপরেই মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর হবে। সেই হিসেবে ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও মহিলা সংরক্ষণ বা এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর হত না। কিন্তু এখন মোদী সরকার ২০২৭-এর জনগণনার ফলের অপেক্ষা না করে ২০১১-র জনগণনার ভিত্তিতেই লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। মে-জুন মাসে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন কমিশনও গঠন করতে চাইছে। কিন্তু কংগ্রেস আপত্তি তুলেছে।

আজ কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেছেন, জনগণনার প্রথম দফার তথ্য ২০২৭ সালেই প্রকাশ্যে চলে আসবে বলে রেজিস্ট্রার জেনারেল জানিয়েছেন। কিন্তু মোদী সরকার বলছে, ২০২৯-এর আগে জনগণনার তথ্য মিলবে না। এই যুক্তি দিয়ে মোদী সরকার বুলডোজ়ার চালিয়ে সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে চলেছে। রেজিস্ট্রার জেনারেল যা বলেছেন, তাতে স্পষ্ট সরকারের যুক্তি মিথ্যে।কংগ্রেস মনে করছে, যেহেতু এ বার জনগণনার সঙ্গে জাতগণনা হবে, তাই জাতগণনার পরে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মধ্যে তফসিলি জাতি, জনজাতির মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের পাশাপাশি ওবিসি মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের দাবি উঠতে পারে। কারণ এ বার জনসংখ্যায় ওবিসি-দের হারও নির্ণয় হওয়ার কথা। মোদী সরকার তা এড়াতে ২০১১-র জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস ও মহিলা সংরক্ষণ করতে চায়। কারণ ২০১১-তে জাতগণনা হয়নি।

রেজিস্ট্রার জেনারেল সোমবার জানিয়েছেন, জাতগণনা হবে জনগণনার দ্বিতীয় পর্বে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। সেই বিষয়ে প্রশ্নও পরে ঠিক হবে। প্রথম পর্বে শুধু বাড়ির প্রধানের তথ্য, বাড়ির সম্পর্কে তথ্য, পরিবারের সম্পত্তির তথ্য জানতে চাওয়া হবে। জনগণনা দফতর জানিয়েছে, একত্রবাসে (‘লিভ-ইন’)-এ থাকা দম্পতিরা যদি নিজেদের সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী বলে মনে করে, তা হলে তাদের জনগণনার হিসেবে বিবাহিত দম্পতি হিসেবেই ধরা হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন