Dawood Aide Arrested

ভারতে হামলার ছক ছিল দাউদের ‘ডান হাত’ মুন্নার! দিল্লিতে ধৃত চার পাক হ্যান্ডলারের এক জন, অপরাধ জগতে জড়ান ছাত্রাবস্থাতেই

১৯৯০ সালে মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকায় এক সহপাঠীকে কলেজের বাইরে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে মুন্নার বিরুদ্ধে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে দাউদ ইব্রাহিমের একদা ঘনিষ্ঠ ছোটা রাজনের ‘প্রিয় পাত্র’ হয়ে ওঠেন মুন্না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ১৯:৪৯
Share:

(বাঁ দিকে) দাউদ ইব্রাহিম। (ডান দিকে) দাউদ ঘনিষ্ঠ মুন্না জিঙ্গারা। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লিতে ভাড়াবাড়িতে ছিলেন তাঁরা। কাকপক্ষীতেও টের পায়নি। সেখান থেকেই ভারতের বিভিন্ন শহরে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। ছতরপুরের ওই ভাড়াবাড়ি থেকেই শনিবার চার পাক হ্যান্ডলারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রে খবর, যে চার পাক হ্যান্ডলারকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে এক জন মুন্না জ়িঙ্গারা। এই মুন্না আবার দাউদ ইব্রাহিমের ‘ডান হাত’, এমনই দাবি সূত্রের।

Advertisement

তদন্তকারী ওই সূত্র জানিয়েছে, মুন্না ছাড়াও যে তিন জন পাক হ্যান্ডলারকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁরা হলেন, দিলওয়ার খান, শাহজাদ ভাটি এবং আমির জাট। ওই সূত্রের দাবি, দাউদ-ঘনিষ্ঠ মুন্নাই ভারতে হামলার পরিকল্পনার ‘মূল মাথা’। তাঁর নির্দেশেই জঙ্গিরা হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরমাণু কেন্দ্র, বিমানবন্দর, ধর্মীয় স্থান, রেলস্টেশন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে তাদের নিশানার তালিকায় রাখা হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রের খবর। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ছাত্রাবস্থাতেই অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন মুন্না। ১৯৯০ সালে মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকায় এক সহপাঠীকে কলেজের বাইরে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে মুন্নার বিরুদ্ধে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে দাউদ ইব্রাহিমের একদা ঘনিষ্ঠ ছোটা রাজনের ‘প্রিয় পাত্র’ হয়ে ওঠেন মুন্না। শুধু তা-ই নয়, পরে বিরুদ্ধ গোষ্ঠী ছোটা শাকিলেরও ঘনিষ্ঠদের মধ্যে এক জন ছিলেন তিনি। ‘ডি কোম্পানি’তে যোগ দেন ইসমাইল মালবারির হাত ধরে। শার্পশুটার হিসাবে অপরাধ জগতে উত্থান মুন্নার। ১৯৯৭ সালে অখিল ভারতীয় সেনার এক সদস্যকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই বছরেই গ্রেফতার হন। ১৯৯৯ সালে জামিনে ছাড়া পেয়েই পাকিস্তানের করাচিতে পালিয়ে যান। ছোটা শাকিলের ‘ডেথ স্কোয়াড’-এর অন্যতম সদস্য মুন্না। ছোটা রাজনের বেশ কয়েক জন সঙ্গীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। রোহিত বর্মা নামে ছোটা রাজনের এক সঙ্গীকে খুনের অভিযোগে তাইল্যান্ডে ১৭ বছরের জন্য সাজা হয়। কিন্তু পাকিস্তান তাঁকে ‘মহম্মদ সেলিম’ বলে দাবি করে। তার পরই তাইল্যান্ড প্রশাসন মুন্নাকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement