Railway Ticket Concession

প্রবীণদের জন্য দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিটে ৫০% ছাড় ফের চালু হোক! লোকসভায় দাবি কংগ্রেসের, একই দাবি তৃণমূলেরও

২০২০ সালের মার্চে করোনা পরিস্থিতির জেরে লকডাউন করা হয়েছিল গোটা দেশে। তার আগে প্রবীণদের জন্য ট্রেনের টিকিটের উপর ৫০ শতাংশ ছাড় দিত রেল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৬
Share:

দূরপাল্লার ট্রেন। —ফাইল চিত্র।

প্রবীণদের জন্য দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় পুনরায় চালু করার দাবি তুললেন বিরোধী সাংসদেরা। কংগ্রেস এবং তৃণমূল সাংসদেরা সোমবার এ নিয়ে সরব হয় লোকসভায়।

Advertisement

২০২০ সালের মার্চে করোনা পরিস্থিতির জেরে লকডাউন করা হয়েছিল গোটা দেশে। সেই সময় থেকে এই সুবিধাটি বন্ধ রয়েছে। তার আগে প্রবীণদের জন্য ট্রেনের টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় দিত রেল। রাজধানী, শতাব্দী-সহ যে কোনও দূরপাল্লার ট্রেনে এই ছাড় পেতেন প্রবীণ নাগরিকেরা। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালে এক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও সুপারিশ করেছিল প্রবীণদের জন্য ওই সুবিধা পুনরায় চালু করার জন্য। কিন্তু তা হয়নি। এ অবস্থায় সোমবার ফের প্রবীণদের জন্য ওই সুবিধা চালুর দাবি তুললেন বিরোধী দলের সাংসদেরা।

কংগ্রেস সাংসদ তারিক আনোয়ার লোকসভায় জানান, এই ছাড় বন্ধ থাকায় প্রবীণদের ভীষণ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কবে থেকে এই সুবিধা ফের চালু হবে, তা নির্দিষ্ট ভাবে জানানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি তোলেন তিনি। একই দাবি তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ট্রেনের টিকিটে ছাড় দ্রুত পুনরায় চালু করার দাবি তোলেন তিনিও। কংগ্রেস এবং তৃণমূলের পাশাপাশি জেডিইউ সাংসদ কৌশলেন্দ্র কুমারও প্রবীণদের টিকিটে ছাড়ের বিষয়টি তুলে ধরেন লোকসভায়। তিনিও বিষয়টি কেন্দ্রকে বিবেচনা করে দেখতে অনুরোধ করেন।

Advertisement

পাশাপাশি রেলওয়ে স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রস সাংসদ। তিনি বলেন, “রেলস্টেশনগুলির আধুনিকীকরণে প্রতি বছর ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। কিন্তু এই প্রকল্পগুলির কাজ মোটেও সন্তোষজনক নয়।” এ প্রসঙ্গে লখনউয়ের গোমতিনগর স্টেশনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement