(বাঁ দিক থেকে) মল্লিকার্জুন খড়্গে, ডিকে শিবকুমার এবং রাহুল গান্ধী। —ফাইল চিত্র।
কর্নাটকের ২৫তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেসের নবনির্বাচিত পরিষদীয় দলনেতা ডিকে শিবকুমার। বুধবার বিকেল ৪টেয় বেঙ্গালুরুর লোকভবনের গ্লাস হাউসে রাজ্যপাল থাবরচাঁদ গহলৌত তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথগ্রহণ কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে।
শিবকুমারের সঙ্গে বুধবার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন দলিত নেতা জি পরমেশ্বর। ১২ জন মন্ত্রীর মধ্যে রয়েছেন মল্লিকার্জুন-পুত্র প্রিয়ঙ্ক খড়্গে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার পুত্র যতীন্দ্র, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কেএইচ মুনিয়াপ্পা এবং প্রভাবশালী অনগ্রসর নেতা সতীশ জারকিহোলি। ৬৪ বছরের শিবকুমার শপথ নিয়েছেন টুমকুর জেলার ননভিনকর গঙ্গাধর অজ্ঝয়া ভোক্কালিগা মঠের সাধকের নামে। গত বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ইস্তফার দেওয়ার পরে শনিবার ভোক্কালিগা জনগোষ্ঠীর প্রভাবশালী নেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শিবকুমার সর্বসম্মত ভাবে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নতুন নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।
সিদ্দারামাইয়া ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ২০২৩ সালের রফাসূত্র মেনে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতেই থাকছেন। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘জাতীয় রাজনীতি নয়, আমার মূল মনোযোগ রাজ্য রাজনীতিতেই থাকবে।’’ কংগ্রেস সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিনিময়ে সিদ্দারামাইয়াকে হাইকমান্ডের তরফে কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি (ঘটনাচক্রে, যে পদে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পদে সিদ্দারামাইয়ার উত্তরসূরি ডিকে শিবকুমার) অথবা রাজ্যসভা সাংসদের পদ বেছে নিতে বলা হয়েছিল। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সংসদের উচ্চকক্ষে যাচ্ছেন না তিনি।