Chhattisgarh Murder

ঈশ্বর রুষ্ট হয়েছেন! পর পর ৮ জনের রহস্যমৃত্যুতে বিশ্বাস করেছিল ছত্তীসগঢ়ের গ্রাম,তার পরই প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর তথ্য

স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। আর প্রত্যেকের মৃত্যু ঠিক একই ভাবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১৬:২৪
Share:

আট জনকে খুনে অভিযুক্ত ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত।

ঈশ্বর রুষ্ট হয়েছেন। গ্রামের পর পর আট জনের রহস্যমৃত্যুতে এটাই বিশ্বাস করেছিল গোটা গ্রাম। কিন্তু তদন্তে উঠে এল ভয়ঙ্কর তথ্য। কোনও রহস্যমৃত্যু নয়, আট জনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে নিছক ‘অপমানের’ বদলা নিতে। ছত্তীসগঢ়ের ঘটনা।

Advertisement

স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। আর প্রত্যেকের মৃত্যু ঠিক একই ভাবে। ছত্তীসগঢ়ের বলোড়া বাজার জেলার খার্ভে গ্রামে প্রায় এক হাজার লোকের বসবাস। ফেব্রুয়ারি থেকে একের পর এক ‘রহস্যময়’ মৃত্যু ঘটতে থাকায় আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামে। গ্রামবাসীদের মধ্যে জল্পনা ছড়ায়, গ্রামে নিশ্চয়ই কোনও ‘পাপ কাজ’ হয়েছে। তার জেরে ঈশ্বর রুষ্ট হয়েছেন। আর তাই মৃত্যু হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, কোনও দেহেরই ময়নাতদন্ত হয়নি। কারণ সবক’টি মৃত্যুকেই স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের খটকা লাগে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে তারা কথা বলে। গ্রামবাসীদের একাংশ দাবি করেন যে, যাঁদের মৃত্যু হয়েছে প্রত্যেককেই শেষ বারের মতো এক জনের সঙ্গেই দেখা গিয়েছিল। তিনি রামসহায় জয়সওয়াল। আর এখান থেকেই ঘটনার মোড় নেয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রামসহায়কে তলব করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই নানা রকম অসঙ্গতি ধরা পড়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফলে সন্দেহ বাড়ে পুলিশের। সম্প্রতি রামসহায়কে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

Advertisement

তদন্তকারী সূত্রের খবর, যে আট জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সকলেই রামসহায়ের মদ্যপানের সঙ্গী ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে কোনও না কোনও কিছু নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল রামসহায়ের। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তারই বদলা নিতে মদের সঙ্গে গোপনে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে দিতেন। মদ্যপানের ১৫ মিনিটের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হত তাঁদের। সেই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলেই মনে হত। শুধু তা-ই নয়, রামসহায় যাঁদের খুন করতেন বলে অভিযোগ, তাঁদের শেষকৃত্যেও হাজির থাকতেন। পরিবারের সদস্যদের সমবেদনাও জানাতেন। ঘটনার সত্যতা প্রকাশ্যে আসতেই হতভম্ব হয়ে যান গ্রামবাসীরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement