Delhi Airport Incident

দিল্লি থেকে ২২৮ জন যাত্রীকে নিয়ে ওড়ার মুহূর্তে ইঞ্জিনে আগুন! দুর্ঘটনা সুইৎজ়ারল্যান্ডের বিমানে

শনিবার মধ্যরাতের পর সুইস বিমানটি রওনা দিয়েছিল। এলএক্স১৪৭ বিমানে মোট ২২৮ জন যাত্রী ছিলেন। ছিল চার শিশুও। এ ছাড়া পাইলট এবং বিমানকর্মীরা ছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২০
Share:

দিল্লি বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে সুইৎজ়ারল্যান্ডের বিমান। শনিবার গভীর রাতে। ছবি: এক্স।

দিল্লি বিমানবন্দরে সুইৎজ়ারল্যান্ডের একটি বিমানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিমানটি দিল্লি থেকে সুইৎজ়ারল্যান্ডের জ়ুরিখের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু ওড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে রানওয়েতেই বিমানের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। ঘটনায় ছ’জনের আঘাত লেগেছে বলে খবর।

Advertisement

শনিবার মধ্যরাতের পর সুইস বিমানটি রওনা দিয়েছিল। এলএক্স১৪৭ বিমানে মোট ২২৮ জন যাত্রী ছিলেন। ছিল চার শিশুও। এ ছাড়া পাইলট এবং বিমানকর্মীরা ছিলেন। রাত ১টা ৮ মিনিটে বিমানটি রানওয়ের উপর যাত্রা শুরু করে। কিছু দূর এগোনোর পর একটি ইঞ্জিনে গোলমাল বুঝতে পারেন পাইলট। দেখা যায়, ইঞ্জিনটিতে আগুন ধরে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে যাত্রা বাতিল করা হয়। বিমানটি থামিয়ে দ্রুত যাত্রীদের রানওয়ের উপরেই নামিয়ে দেওয়া হয়। আপৎকালীন জানলা ব্যবহার করা হয়েছিল। যাঁরা তা ব্যবহার করতে পারছিলেন না, তাঁদের জন্য সিঁড়ির বন্দোবস্ত করে দেন কর্তৃপক্ষ। হুড়োহুড়ির মধ্যে বিমানে থাকা ছ’জন যাত্রী আহত হয়েছেন। হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। বিমানকর্মীদের কারও কোনও আঘাত লাগেনি।

বিমানের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যাওয়ায় যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ধোঁয়াও দেখা গিয়েছিল। ঘটনার পরেই সুইস বিমান সংস্থার তরফে বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা অনভিপ্রেত। কী ভাবে তা ঘটল, কোথায় ত্রুটি হয়েছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত যাত্রীদের সহায়তার জন্য একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে। এয়ারবাস ৩৩০ বিমানে দিল্লি থেকে সুইৎজ়ারল্যান্ড উড়়ে যাওয়ার কথা ছিল যাত্রীদের। রানওয়ে থেকেই জল দিয়ে ইঞ্জিনের আগুন নেবানোর চেষ্টা করা হয়।

Advertisement

বিমানের যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা রবিবার সকাল পর্যন্ত করা যায়নি। তাঁদের হোটেলে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য সবরকমের সাহায্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিমান সংস্থা। কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর যাত্রীদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের যাতে কোনও সমস্যা না-হয় দেখা হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement