পাঠ্যবইয়ে পণ নিয়ে মন্তব্যে শোরগোল

কুৎসিত রূপের জন্যই পণ দিতে হয়, লেখা মহারাষ্ট্র মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে। তবে পাঠ্যক্রমের ওই অংশ প্রয়োজনে মুছে ফেলা হবে বলে জানালেন মহারাষ্ট্রের শিক্ষাসচিব নন্দ কুমার।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৩:২৫
Share:

কুৎসিত রূপের জন্যই পণ দিতে হয়, লেখা মহারাষ্ট্র মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে। তবে পাঠ্যক্রমের ওই অংশ প্রয়োজনে মুছে ফেলা হবে বলে জানালেন মহারাষ্ট্রের শিক্ষাসচিব নন্দ কুমার।

Advertisement

দ্বাদশ শ্রেণির সমাজতত্ত্বের পাঠ্যবইয়ের তিন নম্বর অধ্যায়ে লেখা রয়েছে, কোনও মহিলা কুৎসিত বা প্রতিবন্ধী হলে তাঁকে বিয়ে দিতে সমস্যা হয়। এমন মেয়েকে বিয়ে করার জন্য পাত্রপক্ষ বেশি করে পণ দাবি করতে থাকে। এমন অবস্থায় পাত্রীর অভিভাবকরা অথৈ জলে পড়ে পাত্রপক্ষের দাবি অনুযায়ী পণ দিতে বাধ্য হন। আর এ ভাবেই পণ প্রথা চলে আসছে।

ওই পাঠ্যক্রমের এই বক্তব্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর পরেই বিষয়টি রাজ্যের শিক্ষাসচিব নন্দকুমারের নজরে আসে। বৃহস্পতিবার তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, ‘‘পাঠ্যবইয়ে এমন মন্তব্যের জন্য নোটিস পাঠানো হবে। মহারাষ্ট্র বোর্ডের পাঠ্যবই কর্তৃপক্ষের কথা বলব। প্রয়োজনে অংশটি বাদও দেওয়া হতে পারে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement