Plane Crash in Ahmedabad

সাদা কফিনে মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে ক্লাইভ কুন্দরের দেহ, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের সহকারী পাইলটকে শেষ শ্রদ্ধা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের

কফিনবন্দি দেহ বৃহস্পতিবার সকালে বিমানে করে মুম্বই এয়ারপোর্টে পৌঁছোয়। তার পর তা গোরেগাঁও (পশ্চিম)-এর রাম মন্দির রোডে কুন্দর পরিবারের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২৫ ১৫:৩৮
Share:

(বাঁ দিকে) গোরেগাঁওয়ের ফ্ল্যাটে রাখা রয়েছে কফিনবন্দি দেহ। ক্লাইভ কুন্দর (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

সুসজ্জিত ফ্ল্যাটের কামরায় শায়িত রয়েছে সাদা কফিন। সেই কফিনেই রয়েছে ক্লাইভ কুন্দরের দেহ। অহমদাবাদে গত বৃহস্পতিবার ভেঙে পড়া সেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের সহকারী চালকের আসনে ছিলেন তিনি। আজ, বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল তাঁর পরিবার। সিউরি খ্রিস্টান কবরস্থানে তাঁর শেষকৃত্য হবে।

Advertisement

অহমদাবাদের মেঘানিনগরে লোকালয়ে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। তার পরেই তাতে আগুন ধরে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, বিমানে ১.২৫ লক্ষ লিটার জ্বালানি পুড়ে গিয়েছে। এর ফলে বিমানে সওয়ার কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বেশির ভাগ দেহ পুড়ে গিয়েছে। সে কারণে বিমান আরোহীদের পরিবারের ডিএনএর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। দুর্ঘটনার প্রায় আট দিন পরে, বৃহস্পতিবার কুন্দর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় এয়ার ইন্ডিয়া বিমানের সহকারী চালক ক্লাইভের দেহ।

কফিনবন্দি দেহ বৃহস্পতিবার সকালে বিমানে করে মুম্বই এয়ারপোর্টে পৌঁছোয়। তার পর তা গোরেগাঁও (পশ্চিম)-এর রাম মন্দির রোডে কুন্দর পরিবারের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুপুর ১টা পর্যন্ত শায়িত ছিল দেহ। ক্লাইভের পরিবারের রয়েছেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা, মা এবং বোন। কফিনের পাশে বসে ভেঙে পড়েন তাঁরা। একমাত্র পুত্রকে শেষ শ্রদ্ধা জানান বৃদ্ধ বাবা-মা। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমান ক্লাইভের আত্মীয়-পরিজন, প্রতিবেশীরাও। প্রসঙ্গত, অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসি সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছিলেন, দুর্ঘটনায় নিহত ক্লাইভ তাঁর পরিচিত।

Advertisement

ডিজিসিএ-র পরিসংখ্যান বলছে, ১১০০ ঘণ্টা উড়ানের অভিজ্ঞতা ছিল ক্লাইভের। গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের অদূরে গ্যাটউইকগামী বিমানে সহকারী চালকের আসনে ছিলেন তিনি। বিমানের পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন সবরওয়াল। ৮,২০০ ঘণ্টা বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা ছিল তাঁর। অহমদাবাদের মেঘানিনগরে বিমানটি ভেঙে পড়েছিল। তাতে সওয়ার ২৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এক জন মাত্র যাত্রী প্রাণে বেঁচেছিলেন। বিমান যেখানে ভেঙে পড়েছিল, সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ২৯ জন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement