প্রতীকী ছবি।
আবার সেই ওড়িশা। ঘটনাস্থল বালেশ্বর। এ বার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করল একদল দুষ্কৃতী। কিন্তু পড়ুয়া চিৎকার করতেই গ্রামবাসীরা ছুটে আসেন। তাঁদের দেখেই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে বালেশ্বরের একটি গ্রামে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধ্যায় টিউশন থেকে ফিরছিল ওই ছাত্রী। সাইকেল চালিয়ে ফিরছিল সে। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী তার পথ আটকে দাঁড়ায়। কিছু বুঝে ওঠার আগে কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তারা। তার পর তাঁকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিশোরী প্রথমে রুখে দাঁড়ায়। কিন্তু দুষ্কৃতীদের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি। চিৎকার করতে শুরু করে সে। সেই চিৎকার শুনতে পান গ্রামের কয়েক জন। তাঁদের সন্দেহ হওয়ায় ছুটে আসেন। তখন তাঁরা দেখতে পান এক কিশোরী ছুটতে ছুটতে তাঁদের দিকে আসছে। আর তাঁর পিছনে কয়েক জন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রামবাসীদের আসতে দেখেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। কিশোরীকে উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেন। কিশোরীর পরিবার এর পর সোরো থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কিশোরীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁকে বালেশ্বরের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এর আগেও ওড়িশায় একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। শুধু বালেশ্বর নয়, ময়ূরভঞ্জ, কেওনঝর, গঞ্জাম জেলায় ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গত বছরে। ১০ দিনে তিন জেলায় পাঁচটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।