(বাঁ দিকে) লালরঙা এসইউভির সওয়ারি তরুণ। সাদা গাড়িটিকে (মাঝে) ধাক্কা মারে লালরঙা এসইউভি। ছবি: সংগৃহীত।
ভাড়া করা এসইউভি নিয়ে গোয়ার রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অন্য গাড়িতে ধাক্কা মারার অভিযোগ উঠল একদল তরুণ-তরুণীর বিরুদ্ধে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাশের লেন দিয়ে যাওয়া এক গাড়ির আরোহীর। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরই ঘাতক গাড়ির চালকের আসন বদলাতে দেখা গিয়েছে এক তরুণ-তরুণীকে। তাঁদের দাবি, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন এক তরুণী। তাঁরা মাপুসা থেকে আনজুনা যাচ্ছিলেন। আসাগোয় একটি রেস্তোরাঁর সামনে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। তার পরই পাশের লেনের একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, বেপরোয়া ভাবে চালানো হচ্ছিল এসইউভি। সেটি ডিভাইডার টপকে পাশের লেনে উঠে পড়ে। অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। সেই গাড়িটির সামনের দিক দুমড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু ভগতরাম শর্মা নামে প্রৌঢ়ের। ওই গাড়িরই আরও দু’জন আহত হন। স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, এসইউভিতে এক তরুণ এবং তিন তরুণী ছিলেন। ধাক্কা লাগার ওই তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এক জন তাঁর বাবাকে ফোন করে বলেন, ‘‘বাবা, আমাদের গাড়ির ধাক্কা লেগেছে।’’ স্থানীয়েরাই পুলিশে খবর দেন। তার পর তরুণ-তরুণীদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণ-তরুণীরা দিল্লি থেকে গোয়া বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁদের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। চার জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মৃত প্রৌঢ় ভোপালের বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে তিনিও গোয়ায় বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁরা আসাগো থেকে পারা যাচ্ছিলেন। সেই সময়েই দুর্ঘটনার শিকার হন। পুলিশ জানিয়েছে, কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দু’টি গাড়িকেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের বয়ান, ফরেনসিক পরীক্ষা এবং সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার পর দুর্ঘটনার আসল কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।