বিষ মদ কাণ্ডে সাসপেন্ড থানা, মৃত বেড়ে ১৬

বিহারে বিষ মদের ঘটনায় সাসপেন্ড হল ওসি-সহ পুরো থানাই। ৭২ ঘণ্টা আগে গোপালগঞ্জের সদর থানার খাজুরবন্নি এলাকার নোনিয়া টোলা গ্রামে বিষ মদ খেয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। গত দু’দিনে তা বেড়ে হয়েছে ১৬।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০১৬ ০৩:৩৬
Share:

বিহারে বিষ মদের ঘটনায় সাসপেন্ড হল ওসি-সহ পুরো থানাই।

Advertisement

৭২ ঘণ্টা আগে গোপালগঞ্জের সদর থানার খাজুরবন্নি এলাকার নোনিয়া টোলা গ্রামে বিষ মদ খেয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়। গত দু’দিনে তা বেড়ে হয়েছে ১৬। অভিযোগ, পটনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আরও ৪ জন তাঁদের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে গোপালগঞ্জের এসপি রবিরঞ্জন কুমার আজ জানান, থানায় কর্মরত ওসি-সহ ১৫ জনকে কর্তব্যে গাফিলতির কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে নতুন ওসি ও বাহিনী।

বিষ মদ কাণ্ডে মৃত বেশ কয়েক জনের ভিসেরা আজ ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। গত কাল ময়না তদন্তের রিপোর্টে দেখা যায়, মৃত্যুর কারণ বিষ মদ। প্রথম থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে উঠেপড়ে লেগেছিল পুলিশ ও জেলা প্রশাসন। ঘটনা সামনে আসার পরেই অভিযোগ ওঠে, পুলিশি হয়রানির ভয়ে মৃত কয়েক জনের পরিবার লিখিত ভাবে প্রশাসনকে জানায়, বিষাক্ত মদ খেয়ে তাদের স্বজনের মৃত্যু হয়নি। যাঁরা মুচলেকা দেন তাঁদের আত্মীয়দের দেহ পুলিশ ছেড়ে দেয়।

Advertisement

গত কাল মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার জানান, যদি দেখা যায় সত্যিই বিষাক্ত মদ মৃত্যুর কারণ তবে মৃতের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য। (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে বিষ মদে ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন মৃত্যু পিছু ২ লক্ষ টাকা) দেবে রাজ্য। পুলিশ জানায়, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।

তবে ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত দেখছে আরজেডি। তাদের লক্ষ্য বিজেপি। নীতীশ কুমারও এর পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আজ তিনি সাংবাদিকদের জানান, ঘটনায় যারা দোষী প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে নতুন আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ সংক্রান্ত পুরনো আইনকে অতি সম্প্রতি আরও কঠোর করা হয়েছে। বিষ মদের কারবারিদের বিরুদ্ধে অবশ্য সরাসরি খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement