Delhi Rape and Murder Case

‘দিদি টাকা দিয়ে দিলে, এ কাজ করতাম না’! দিল্লিতে আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ করে খুনের পর দাবি অভিযুক্ত পরিচারকের

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০ হাজার টাকা বেতন পেতেন অভিযুক্ত। সঙ্গে বোনাসও। আট মাস আগে তাঁকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পর তিনি নিজের বাড়ি রাজস্থানের অলওয়ারে ফিরে যান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২৮
Share:

প্রতীকী ছবি।

তাঁর বিরুদ্ধে আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। গ্রেফতারও হয়েছেন। কিন্তু এই কাজ তিনি করতে চাননি বলে আদালতে দাবি করেছেন বছর উনিশের পরিচারক। দিল্লিতে এক আমলার বাড়িতে পরিচারকের কাজ করতেন অভিযুক্ত। সেই আমলারই কন্যাকে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ ওঠার পর পরিচারক দাবি করলেন, ‘‘দিদি যদি বাধা না দিত, টাকা দিয়ে দিত, তা হলে এ কাজ করতাম না।’’

Advertisement

অভিযুক্ত দাবি করেছেন, শুধু টাকার জন্যই তিনি গিয়েছিলেন। অন্য কোনও উদ্দেশ্যে নয়। কিন্তু তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অনলাইন গেমে আসক্ত তো ছিলেনই, পরিচারকের কাজ করে যে বেতন পেতেন, সেই টাকা যৌনপল্লিতে খরচ করতেন। তদন্তকারী এক সূত্রের খবর, যখন পরিচারকের কাজে ঢুকেছিলেন সেই সময় থেকেই আমলার কন্যার প্রতি তাঁর নজর ছিল। ফলে শুধু টাকা চুরির উদ্দেশ্যেই গিয়েছিলেন কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পরিচারকের দাবির সত্যতা যাচাই করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০ হাজার টাকা বেতন পেতেন অভিযুক্ত। সঙ্গে বোনাসও। আট মাস আগে তাঁকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পর তিনি নিজের বাড়ি রাজস্থানের অলওয়ারে ফিরে যান। সেখানে গিয়ে অনলাইন গেমে আরও আসক্ত হয়ে পড়েন। সেই গেম খেলতে গিয়ে প্রচুর টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল। সেই টাকা মেটানোর জন্য আমলার বাড়িতে লুটপাটের পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত। ঘটনার আগের রাতে অলওয়ারে এক বন্ধুর সঙ্গে বিয়েবাড়িতে যান অভিযুক্ত পরিচারক। একটা কাজ আছে বলে অনুষ্ঠানবাড়ি থেকে আগে বেরিয়ে আসেন।

Advertisement

অভিযোগ, যে বন্ধুর সঙ্গে বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন, সেই বন্ধুর বাড়িতে আবার আসেন তিনি। তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। তার পর তাঁর মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যান। কেউ যাতে সন্দেহ করতে না পারে, বন্ধুর স্ত্রীর ফোন, নিজের ফোন ১৩ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। তার পর সেই টাকা নিয়ে দিল্লিতে পৌঁছোন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের চোখেমুখে অনুতাপের কোনও ছাপ নেই। শুধু বয়ান বদলাচ্ছেন বার বার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement