—প্রতীকী চিত্র।
মহিলাদের হস্টেলের স্নানঘরে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগ উঠল গুয়াহাটির টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে। বুধবার অভিযোগ পেয়ে স্নানঘর থেকে গোপন ক্যামেরাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে হস্টেলের তৃতীয় তলার একটি স্নানঘরে একজন ছাত্রী একটি সাবানের প্যাকেটের ভিতরে লুকোনো অবস্থায় ক্যামেরাটি দেখতে পান। এর পরেই তাঁরা জালুকবাড়ি থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, ওই ক্যামেরাটিতে ভিডিয়ো রেকর্ড চালু ছিল এবং এটি সম্ভবত পাঁচ দিন ধরে স্নানঘরে রাখা ছিল। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গুয়াহাটি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নুমল মাহাত্ত বলেন, “আমরা ক্যামেরাটি উদ্ধার করেছি এবং সেটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।”
টিস প্রশাসন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে তারা। এই ঘটনার পর হস্টেলের ছাত্রীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা নিরাপত্তার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং হস্টেলে সিসি ক্যামেরা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।