Delhi Judge Death

‘আর বাঁচতে চাই না’! বাবাকে ফোন করে বলেছিলেন দিল্লির বিচারক, আত্মহত্যার নেপথ্যে দাম্পত্য কলহ?

পরিবারের দাবি, তাঁর সামনেই বাবাকে অপমান করেছিলেন স্ত্রী, যা মেনে নিতে পারেননি বিচারক আমন। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যুর দিন দুয়েক আগে আমন তাঁর বাবাকে ফোন পরে জানান, তিনি বাঁচতে চান না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ১৭:৪২
Share:

দিল্লির বিচারক আমন শর্মা। — ফাইল চিত্র।

দিল্লির বিচারক আমন শর্মার আত্মহত্যার নেপথ্যে কী কারণ? ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মিলল আভাস। বিচারকের বাবার দাবি, দিন কয়েক আগে তাঁর সঙ্গে পুত্রের কথা হয়েছিল। সেই শেষ কথা। সে দিন ফোনে ওই বিচারক জানিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে বেঁচে থাকা আর সম্ভব নয়!

Advertisement

পরিবারের দাবি, তাঁর সামনেই বাবাকে অপমান করেছিলেন স্ত্রী, যা মেনে নিতে পারেননি বিচারক আমন। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। মৃত্যুর দিন দুয়েক আগে আমন তাঁর বাবাকে ফোন পরে জানান, তিনি বাঁচতে চান না। পরিবারের অভিযোগ, আমন প্রায় প্রতি দিনই মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেম। বাড়িতে প্রায়ই কোনও না কোনও কারণে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি লেগেই থাকত। অভিযোগের তির স্ত্রীর দিকে। পরিবারের দাবি, আমনের স্ত্রীর বোন জম্মুতে কর্মরত। তিনি একজন আইএএস। মূলত তাঁর উস্কানিতেই আমনের সঙ্গে অশান্তি করতেন স্ত্রী।

শনিবার নিজের বাড়ি থেকেই আমনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, বাথরুমের থেকে একটি টুল নিয়ে দুপুরে নিজের ঘরে যান আমন। তার পরে শাল গলায় জড়িয়ে সিলিং থেকে ঝুলে পড়েন। শনিবার দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ সফদরজং এনক্লেভ থানায় ফোন আসে। মৃতের এক আত্মীয় ফোন করে পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানান। ওই খবর পাওয়ার পরই পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় এবং তাঁর দেহ উদ্ধার করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ জুন দিল্লির বিচারবিভাগীয় কাজে যোগ দিয়েছিলেন অমন কুমার। পুনের সিমবায়োসিস ল’ স্কুল থেকে তিনি আইনে স্নাতক হন। ২০১৮ সালে পান বিএ-এলএলবি ডিগ্রি। পিটিআই জানাচ্ছে, কর্মজীবনে বিভিন্ন ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলার বিচার করেছেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement