চিনকে চাপে রাখতে কৌশল মলদ্বীপে

একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হল। সেইসঙ্গে সই হল তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা 

শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৯ ০৫:১০
Share:

নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।

জইশ ই মহম্মদ নেতা মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করায় এ নিয়ে চার বার বাধা দিল চিন। তার পাল্টা কৌশল হিসেবে কূটনৈতিক ভাবে চিনকে চাপে রাখার পথে এগোলো ভারত। দু’দিনের মলদ্বীপ সফরের শেষে সে দেশের নতুন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ সলির সঙ্গে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হল। সেইসঙ্গে সই হল তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও।

Advertisement

গত বছরের প্রায় পুরোটা চিনের হাতে তামাক খেয়ে ভারত-বিরোধী মনোভাব নিয়ে চলছিলেন মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন। ইয়ামিন সরকারকে ক্ষমতায় রাখার জন্য চেষ্টা করে গিয়েছিল বেজিং। সেই সরকারের জমানায় মলদ্বীপে বিপুল লগ্নিও করেছে শি চিনফিং সরকার। সামরিক দিক থেকে দেশটিকে মুঠোয় পুরে ভারতকে রক্তচক্ষু দেখানোর চেষ্টাও কম হয়নি। ভূকৌশলভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রটিতে পালাবদল ঘটুক, এটা মনেপ্রাণে চাইছিল সাউথ ব্লক। প্রতিবেশী বলয়ে কোণঠাসা হওয়ার পরে শেষ পর্যন্ত এই প্রাপ্তিটি ভারতের ঘটেছে।

গত দু’দিনে মলদ্বীপের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভারত-মলদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে মজবুত করার কাজটি সেরেছেন সুষমা। যে তিনটি চুক্তি সই হয়েছে সেগুলি হল, দু’দেশের কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের মধ্যে যাতায়াত সহজ করা, উন্নয়নক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং অপ্রচলিত শক্তি ক্ষেত্রে সমন্বয় বাড়ানো। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা শাহিদ ভারতের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মলদ্বীপের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভারতের ভূমিকা পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (যা চিনের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকা) শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা নিয়ে কথা হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। আঞ্চলিক নৌ-সুরক্ষা নিয়ে সমন্বয় শক্তিশালী করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

Advertisement

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement