বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলিকে নিয়েই দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম দিনটি কাটল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বিমস্টেক-ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের পাশাপাশি বৈঠক করলেন মরিশাসের প্রেসিডেন্ট প্রভিন্দ জগন্নাথের সঙ্গে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং দু’জনেই আমন্ত্রণ জানান মোদীকে। তাঁদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ভুটানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অংশীদারি বাড়াবে ভারত। বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদকে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বছর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ যৌথ ভাবে পালন করতে চায় মোদীর ভারত। ২০২১-এ পঞ্চাশ বছর হবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের। তার উদ্যাপনও ঢাকার সঙ্গে যৌথ ভাবে করবে নয়াদিল্লি।
এই দফায় মোদীর প্রথম সফর আগামী মাসে। যাবেন মলদ্বীপে। তার পর শ্রীলঙ্কায়। সে দেশের প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনার সঙ্গে আলোচনায় আজ স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্ব পেয়েছে সন্ত্রাস প্রসঙ্গ। পরে সাংবাদিক বৈঠকে সিরিসেনা বলেন, ‘‘সার্ক এবং বিমস্টেক উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সংগঠন। সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতার মাধ্যমে এগোলে কাজ হবে।’’ তিনি এ-ও জানান, এপ্রিল মাসে শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণ হতে পারে— এমন গোয়েন্দা তথ্য ভারতের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছিল।