—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পরিবেশ দূষণ কমানো ছাড়াও হাইস্পিড ডিজ়েল কেনার জন্য খরচের বোঝা কমাতে রেলপথে বৈদ্যুতিকীকরণের উপর জোর দিয়েছে রেল। বর্তমানে বিভিন্ন স্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ ইয়ার্ডে যাত্রিবাহী ট্রেনের রেক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়ার কাজে (শান্টিং) ডিজ়েল ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। এ বার ওই খাতেও খরচ বন্ধ করতে চায় রেল। সূত্রের খবর, ওই লক্ষ্যপূরণে ব্যাটারিচালিত ইঞ্জিন ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছে রেল। পাইলট প্রকল্পের আওতায় লিথিয়াম ফেরো ফসফেট ব্যাটারি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে রেলের ইঞ্জিন।
রেল সূত্রের খবর, প্রথম পর্যায়ে ডিজ়েলচালিত একটি ইঞ্জিনকে সফল ভাবে ব্যাটারিচালিত ইঞ্জিনে পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রায় ৭০০ অশ্বশক্তির ওই ইঞ্জিন নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষাও চালানো হবে। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেলের কাঁচরাপাড়া ওয়ার্কশপে ২৫ কিলোভোল্টের বৈদ্যুতিন ইঞ্জিন তৈরি করা হয়েছে। চিত্তরঞ্জন লোকোমটিভে এমন ১০টি ইঞ্জিন তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রেলের খবর, দেশে প্রায় ২৫০০ হাজার ডিজ়েল ইঞ্জিন এখনও শান্টিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। নতুন উদ্যোগ সফল হলে ব্যাটারিচালিত ইঞ্জিন ট্রেনের অভিমুখ পরিবর্তন ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনও ট্রেনকে স্বল্প দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজেও ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়াও, রেল হরিয়ানার জিন্দে হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন নিয়েও পরীক্ষানিরীক্ষা করছে। রেলের গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মান নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট সংস্থা আরডিএসও-র তত্ত্বাবধানে ওই কাজ হচ্ছে।
চূড়ান্ত পর্বে চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে ওই ট্রেন তৈরি হওয়ার কথা। পরীক্ষা সফল হলে একই কাজে হাইড্রোজেনচালিত ইঞ্জিনও ব্যবহার করা হতে পারে। রেলের দাবি, দেশে ৯৯ শতাংশের বেশি রেলপথে বৈদ্যুতিকীকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে রেলের পরিসরে কার্বন নিঃসরণ শূন্য করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছ কেন্দ্রীয় সরকার। ওই লক্ষ্য অর্জনের জন্যই এই উদ্যোগ।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে