Indigenous 125kg Air Bomb

ভবিষ্যতের বালাকোট এবং সিঁদুরের প্রস্তুতি? দেশে তৈরি ১২৫ কেজি বোমা পরীক্ষা সুখোই, জাগুয়ার যুদ্ধবিমানের

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত ওই ‘প্রিসিশন বোমা’ নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে ‘আকাশ থেকে ভূমি’ ক্ষেপণাস্ত্রের মতোই কার্যকরী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৮
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সামরিক পরিভাষায় ‘এয়ার বম্ব’। আদতে মার্কিন বাঙ্কার ব্লাস্টারের ভারতীয় মিনিয়েচার। ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমান ব্যবহারের জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে ১২৫ কেজির এই বোমা।

Advertisement

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত ওই ‘প্রিসিশন বোমা’ নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে ‘আকাশ থেকে ভূমি’ ক্ষেপণাস্ত্রের (এয়ার টু সারফেস মিসাইল) মতোই কার্যকরী। ইতিমধ্যে বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমান থেকে সফল পরীক্ষাও হয়েছে সোলার ডিফেন্স সংস্থার ‘মেক টু’ প্রকল্পে তৈরি ওই ‘এয়ার বম্ব’-এর।

নেটো বাহিনী ব্যবহৃত এমকে-৮১ বোমার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে সোলার ডিফেন্সের তৈরি ১২৫ কেজির বোমার। তবে এটি পশ্চিম ইউরোপ এবং রাশিয়া, দু’দেশে তৈরি যুদ্ধবিমান থেকেই ব্যবহার করা যাবে। বোমাটিতে দু’টি ‘ওয়ারহেড’ রয়েছে। প্রথমটি শত্রুপক্ষের বাঙ্কার বা অন্য ইমারতের ক‌ংক্রিটের আস্তরণ ভেদ করবে। এর পরে দ্বিতীয় ‘ওয়ারহেড’ বিস্ফোরণ থেকে ছিটকে যাবে অসংখ্য ‘শার্পনেল’। শত্রুর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে ভয়াবহ। এই বোমা ব্যবহারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বালাকোট বা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো অভিযানের ক্ষেত্রে সাফল্যের মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement