ব্রিকস সম্মেলনে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ছবি: রয়টার্স।
নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে বাদানুবাদে জড়াল ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি ও আমিরশাহির বিদেশমন্ত্রী খলিফা শহিন আল মারার মধ্যে ঝগড়া থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে হল রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভকে!
বৃহস্পতিবার থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া দু’দিনের ব্রিকস বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সদস্য দেশগুলির পারস্পরিক স্বার্থের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিষয়গুলি ছিল। এই সম্মেলনে হরমুজ় প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে অচলাবস্থা কাটানোর বিষয়টি গুরত্ব পায় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বক্তৃতায়। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার দুই বিদেশমন্ত্রীর সংঘাতে তাল কেটে যায় আলোচনার।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলর যৌথ হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার মিত্র দেশগুলির উপর পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। রেহাই পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও। পরে জানা যায়, সেই হামলার পালটা ইরানের দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল আমিরশাহিও। শুক্রবার ব্রিকস বৈঠক চলাকালীন আমিরশাহীর জ্বালানি পরিকাঠামোয় ইরানের হামলার প্রসঙ্গ ওঠে। যার জেরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে।