National News

ছেলের বিয়ে, বাড়ি ফিরলেন লালুপ্রসাদ

পাঁচ দিনের প্যারোলের একদিন আইনি জটিলতাতেই কেটে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত আজ ‘জেলবন্দি’ লালুপ্রসাদ রাঁচীর রিমস হাসপাতাল থেকে পৌঁছলেন পটনার ‘বিয়েবাড়িতে’। আজ সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে তাঁকে আনতে যান দুই পুত্র তেজপ্রতাপ ও তেজস্বী এবং মেয়ে মিসা ভারতী।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০১৮ ০৩:৩২
Share:

মুক্তি: পটনা পৌঁছলেন লালুপ্রসাদ। বিমানবন্দর থেকে তাঁকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন মিসা ও তেজপ্রতাপ। পিটিআই

পাঁচ দিনের প্যারোলের একদিন আইনি জটিলতাতেই কেটে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত আজ ‘জেলবন্দি’ লালুপ্রসাদ রাঁচীর রিমস হাসপাতাল থেকে পৌঁছলেন পটনার ‘বিয়েবাড়িতে’। আজ সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে তাঁকে আনতে যান দুই পুত্র তেজপ্রতাপ ও তেজস্বী এবং মেয়ে মিসা ভারতী।

Advertisement

আসলে তিনিই তো বরকর্তা। বড় ছেলের বিয়ে বলে কথা। সব আয়োজন শেষ। পিছু-গণনা শুরু হয়েছে পটনার সার্কুলার রোডের ১০ নম্বর বাংলোয়। কাল বাদে পরশু, ১২ মে বিয়ে। আত্মীয়-স্বজনে বাড়ি গমগম করছে। কিন্তু গৃহকর্তার অনুপস্থিতিতে বার বার তাল কাটছিল সবার। জেল থেকে পাঁচ দিনের ‘শর্তাধীন মুক্তি’ বা প্যারোল আদালত মঞ্জুর করেছে—এই খবর রাঁচী থেকে পটনায় পৌঁছতেই বিয়েবাড়ির আনন্দ দ্বিগুণ হয়েছে। ঝলমলে বিয়েবাড়ি যেন আরও রঙিন হয়ে উঠেছে।

৯ মে থেকে লালুপ্রসাদকে পাঁচ দিনের প্যারোলের অনুমতি দিয়েছে আদালত। ১৪ মে তাঁকে ফিরে আসতে হবে রিমস হাসপাতালের সেই কেবিনেই। কিন্তু ঠিক সময়ে আদালতের নির্দেশ হাসপাতালে না পৌঁছনোয় গতকাল আর পটনা ফেরা হয়নি লালুপ্রসাদের। শেষ পর্যন্ত আজ বিকেলে রাঁচী বিমানবন্দর থেকে পটনাগামী বিমানে ওঠেন লালুপ্রসাদ। তবে তাঁকে বার বার ডাক্তাররা সতর্ক করেছেন, ‘‘ছেলের বিয়েতে আনন্দ করুন। কিন্তু কোনও অনিয়ম করা চলবে না।’’ খাওয়া চলবে না একটা মিষ্টিও। তাঁর সঙ্গে থাকছেন রিমসের এক ডাক্তারও।

Advertisement

আরও পড়ুন: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের হেনস্থায় কড়া সাজার প্রস্তাব কেন্দ্রের

তেজপ্রতাপ এবং ঐশ্বর্যের বিয়ের জন্য চন্দ্রিকা রায়ের পটনা স্ট্রান্ড রোডের বাংলোতেওসাজো সাজো রব। বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় পাঁচ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। হাজির থাকবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা। বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে আসলে একত্রিত হচ্ছেন বিজেপি বিরোধী নেতারা। তাঁদের নেতা আজ আসছেন, এই খবরে এদিন দুপুর থেকেই সার্কুলার রোডের ‘রাবড়ী-নিবাসে’ ভিড় জমতে শুরু করে। হাজির হন আরজেডি কর্মী ও সমর্থকরা। হাজির হন নেতারাও।

এ দিকে, রিমস ছাড়ার আগে লালুপ্রসাদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালের সুপার এস কে চৌধুরি বলেন, ‘‘লালুপ্রসাদের সুগার, রক্তচাপ ও পালস রেট এতটাই ওঠানামা করছিল যে বিয়ের ধকল তিনি কতটা নিতে পারবেন তা নিয়ে আমাদের একটু সন্দেহ ছিল।’’ কিন্তু বাড়ি ফেরার আনন্দেই বোধহয় গতকাল থেকে তাঁর অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল। আজও ভালই আছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement