রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। —ফাইল চিত্র।
রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বুকিংয়ের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। অযথা আতঙ্কিত হয়ে সিলিন্ডার বুকিং না-করার জন্য দেশবাসীকে পরামর্শ দিয়ে আসছে কেন্দ্র। দেশে যে গৃহস্থের রান্নার গ্যাস পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তা-ও বলা হয়েছে। এ বার দেখা গেল, এক দিনে প্রায় ১০ লক্ষ বুকিং কমেছে।
শুক্রবার গোটা দেশে ৮৮ লক্ষ ৮০ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং হয়েছিল। শনিবার তা নেমে এসেছে ৭৭ লক্ষে। কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশব্যাপী এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের পরিস্থিতির দিকে সর্বক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। কোনও গ্যাস অফিসেই এলপিজি ফুরিয়ে যাওয়ার মতো খবর নেই, তা-ও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানাচ্ছে, বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডার বুকিংয়ের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে অনলাইনে গ্যাস বুকিংয়ের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের চাহিদা পূরণ করার জন্য জন্য পর্যাপ্ত এলপিজি মজুত রয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার ফলেই সিলিন্ডার বুকিংয়ের প্রবণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছিল। যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগে দেশে দিনে প্রায় ৫৫ লক্ষ সিলিন্ডার বুকিং হত। প্রতিদিন সরবরাহ হত প্রায় ৫০ লক্ষ সিলিন্ডার। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিলিন্ডার সরবরাহের হার একই রয়েছে। কিন্তু বুকিং বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল। তবে কেন্দ্রের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে আভাস, আতঙ্কিত হয়ে গ্যাস বুকিংয়ের প্রবণতা কিছুটা হলেও কমেছে।
বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা-ও ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বিহার, দিল্লি, হরিয়ানা এবং রাজস্থান-সহ বেশ কিছু রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যে সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সংক্রান্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ৩০টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পুনরায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ শুরু হয়েছে। পেট্রল এবং ডিজ়েল নিয়েও দেশবাসীর অযথা উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশের কোনও পেট্রল পাম্প যে তেল ফুরিয়ে যাওয়ার খবর নেই, সে কথাও জানানো হয়েছে দেশবাসীকে।