অজিত পওয়ার। — ফাইল চিত্র।
এনসিপি এবং শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি(এসপি)-র মিলনের ইঙ্গিত দিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অজিত জানিয়েছেন, কর্মীদের মধ্য থেকেই এই দাবি উঠছে। তাঁর মতে, পওয়ার পরিবারে আর অশান্তি নেই, ফলে দু’ভাগ হওয়া দলকে জোড়া লাগানোই অসম্ভব নয়। এনসিপি(এসপি)-র নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে অবশ্য সরাসরি এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
বছর দুয়েক আগে কাকা শরদ সঙ্গে বিবাদের জেরে দলত্যাগ করেছিলেন অজিত। যোগ দেন এনডিএ শিবিরে। পরবর্তী সময় তাঁর দলকেই প্রকৃত এনসিপি বলে স্বীকৃতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ওই বেসরকারি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অজিত বলেছেন, ‘‘দুই এনসিপি আবার এক হয়ে যাক— এমনটাই চাইছেন উভয় দলের কর্মীরা। আমরা এক হয়ে গিয়েছি। আমাদের পরিবারের সব সমস্যা মিটে গিয়েছে।’’ পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুর নিগমে দুই এনসিপি এক হয়ে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শরদ-কন্যা তথা এনসিপি(এসপি)-র সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও জানিয়েছেন, কর্মীদের দাবি মেনেই ওই পুর নির্বাচনে একসঙ্গে লড়ছে দুই এনসিপি। একই সঙ্গে তিনি বলছেন, ‘‘অজিত পওয়ারের এনসিপি-র সঙ্গে জোট করে আগামী দিনেও পথ চলা হবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনও কোনওসিদ্ধান্ত হয়নি।’’
সম্প্রতি মরাঠা রাজনীতিতে চর্চা চলছে এনসিপি(এসপি) এনডিএ-তে যোগ দিতে পারে। আজ ওই খবর উড়িয়ে দিয়ে সুপ্রিয়া বলেছেন, ‘‘যাঁরা এই ধরনের গুজব রটিয়ে খুশি হন, তাঁরা ওই নিয়েই থাকুন।’’
ওই সাক্ষাৎকারে অজিত মহারাষ্ট্র রাজনীতি নিয়ে অনেক কিছু বলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা জমি দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করে অজিতের দাবি, তাঁর ছেলে পার্থ কাউকে এক টাকাও দেননি, তাঁর পরিবারও কোনও জমি কেনেনি। ঠাকরে পরিবারের দুই ভাইয়ের কাছাকাছি আসাকে তেমন গুরুত্ব দিতে নারাজ অজিত। তাঁর মতে, উদ্ধব ঠাকরে এবং রাজ ঠাকরে একজোট হলেও তাঁদের সাফল্য মিলবে না।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে