NITI Aayog Meet

আজ নীতি আয়োগের বৈঠকে থাকছেন না মমতা, বিজয়ন

নীতি আয়োগ জানিয়েছে, শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে পরিচালন পরিষদের বৈঠকের মূল বিষয় ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত রাজ্য’। প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার শতবর্ষ ২০৪৭-এ ভারতকে উন্নত অর্থনীতির সারিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৫ ০৮:৩২
Share:

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

গত জুলাইয়ে নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের বৈঠক ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাঝপথেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগ তুলেছিলেন, তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ-ও বলেছিলেন, আর কোনওদিনও নীতি আয়োগের বৈঠকে আসবেন না। শনিবার ফের নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও আমলা এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। শনিবার কলকাতা বা রাজ্যে কোনও নির্দিষ্ট কর্মসূচি না থাকলেও নীতি আয়োগের বৈঠক এড়িয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নীতি আয়োগ জানিয়েছে, শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে পরিচালন পরিষদের বৈঠকের মূল বিষয় ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত রাজ্য’। প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার শতবর্ষ ২০৪৭-এ ভারতকে উন্নত অর্থনীতির সারিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন।

নীতি আয়োগের এক কর্তা বলেন, ‘‘বিকশিত ভারত ও বিকশিত রাজ্যের লক্ষ্যে রাজ্যগুলিকে সাহসী, দীর্ঘমেয়াদি ‘ভিশন ডকুমেন্ট’ তৈরির আহ্বান জানানো হবে। তার মধ্যে স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতি মেনে, জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, সময় ভিত্তিক লক্ষ্য স্থির করতে হবে। রাজ্যগুলিতে প্রকল্পের অগ্রগতির কাজে নজরদারির জন্য প্রজেক্ট মনিটরিং ইউনিট, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পরিকাঠামো, মনিটরিং ও ইভ্যালুয়েশন সেল তৈরি করা প্রয়োজন।’’

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মতো বাম শাসিত কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। তবে কংগ্রেস শাসিত তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেবেন। ২০১৮-র পরে এই প্রথম তেলঙ্গানার কোনও মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনও বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন। নীতি আয়োগের এক কর্তা বলেন, ‘‘গত বছরও দশটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে যোগ দেননি।’’

নীতি আয়োগ সূত্রের খবর, গত ডিসেম্বরে রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সম্মেলনে ‘বিকশিত ভারত’-এর রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেখানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির শহরে কারখানা উৎপাদন ও পরিষেবা ক্ষেত্রের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি, গ্রামের অ-কৃষি ক্ষেত্র ও শহরে ছোট-মাঝারি শিল্প ও অসংগঠিত ক্ষেত্র, পরিবেশ-বন্ধু অর্থনীতি ও পুনর্ব্যবহার অর্থনীতি নিয়ে সুপারিশ এসেছিল। এ বিষয়েও শনিবারের বৈঠকে ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন