National News

আগামিকালের যুদ্ধ আজকের চেয়ে আলাদা, ‘শক্তি’ বোঝাতে বললেন জেটলি

জোটলির বক্তব্য, ‘‘২০১৪ সালে মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এটা বিরাট সাফল্য। আমরা এখন শুধু মহাকাশে শক্তিধর নই, আমরা বিগ ফোর-এ ঢুকে পড়লাম।’’

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৯ ১৮:৪৬
Share:

সাংবাদিক বৈঠকে অরুণ জেটলি। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া

‘মিশন শক্তি’ সরকারের নাকি ডিআরডিও-র কৃতিত্ব, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই টুইটারে ‘শক্তি’ প্রদর্শনে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তাঁর সহকর্মী মন্ত্রী থেকে বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আবার রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে ‘মিশন শক্তি’র জন্য গলা ফাটালেন। অন্য মন্ত্রী থেকে নেতারা টুইটারে যা লিখলেন তার সারমর্ম— মোদী সরকারের মাইলস্টোন এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট ক্ষেপণাস্ত্র, ভারতের মহাকাশ ‘সুরক্ষিত’, মহাশক্তিধরদের তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে এল ভারত।

Advertisement

অ্যান্টি স্যাটেলাইট ক্ষেপণাস্ত্র। অর্থাৎ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র, যা দিয়ে মহাকাশে কেউ আক্রমণ করলে প্রতিহত করা যায়। ধ্বংস করা যায় কৃত্রিম উপগ্রহ। এ প্রকল্পের নামই ছিল ‘মিশন শক্তি’। বুধবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই মিশন শক্তির আত্মপ্রকাশের ঘোষণাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এই ঘোষণার পরেই তার শক্তি বোঝাতে ময়দানে নেমে পড়েন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কেউ কৃতিত্ব দিয়েছেন ডিআরডিও-কে এবং ইসরোকে। কারও দাবি, এই কৃতিত্ব মোদী তথা বিজেপি সরকারের।

এই প্রকল্পকে সরকারের কৃতিত্ব বলে জাহির করতে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেটলি। তাঁর বক্তব্য, ‘‘২০১৪ সালে মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এটা বিরাট সাফল্য। আমরা এখন শুধু মহাকাশে শক্তিধর নই, আমরা বিগ ফোর-এ ঢুকে পড়লাম।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: ‘অন্তরীক্ষে মহাশক্তি ভারত’, উপগ্রহ ধ্বংসের পরে ঘোষণা মোদীর, স্বাগত জানিয়েও কটাক্ষে বিরোধীরা

আরও পডু়ন: কী এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল? দেশের সুরক্ষায় কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?

বাকি নেতা-মন্ত্রীরা অবশ্য টুইটারেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ অবশ্য প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও এবং মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রশংসা করেন। রাজনাথ লিখেছেন, ‘‘মিশন শক্তি’ সফল করার জন্য ডিআরডিও এবং ইসরোকে শুভেচ্ছা। এই মিশনের সাফল্য ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। আমরা গর্বিত যে আমাদের মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা প্রকল্প অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছে গেল।’’

এছাড়া সুরেশ প্রভু, নিতিন গডকড়ী, রাজ্যবর্ধন সিংহ রাঠৌরের মতো মন্ত্রীরাও একই ভাবে এই মিশন শক্তির সাফল্য তুলে ধরেন টুইটারে। তাঁদের অধিকাংশের বক্তব্য, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য এই মিশন শক্তি। তবে বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই নেতা-মন্ত্রীরা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন