(বাঁ দিকে) দাদা উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে রাজ ঠাকরে (ডান দিকে)। পিছনে শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা, প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের ছবি। —ফাইল চিত্র।
মুম্বইয়ে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। রবিবার এই ভাষাতেই বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের পরিযায়ী শ্রমিকদের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে। প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের ভাইপো তথা মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার (এমএনএস) প্রধান বলেন, “আমি হিন্দিকে ঘৃণা করি না। কিন্তু আপনি যদি এটা চাপানোর চেষ্টা করেন, তা হলে আপনাকে ছুড়ে ফেলব।”
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দেশের বৃহত্তম (জনসংখ্যার নিরিখে) এবং ধনীতম পুরসভা বৃহন্মুম্বই পুরনিগমে নির্বাচন। দীর্ঘ দিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে এই ভোটে জোট বেঁধে লড়ছেন রাজ এবং তাঁর তুতো ভাই তথা শিবসেনা (ইউবিটি)-র প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। ইতিমধ্যেই দুই ভাই জানিয়েছেন, তাঁরা ক্ষমতায় এলে একজন মরাঠিই মুম্বইয়ের মেয়র হবেন। ঘটনাপ্রবাহ দেখে রাজনৈতিক মহলের একাংশের অনুমান, মরাঠি অস্মিতাকেই রাজনৈতিক অস্ত্র করতে চলেছেন রাজ এবং উদ্ধব।
রাজ বলেন, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের মানুষজন এটা বুঝুন যে, হিন্দি আমাদের ভাষা নয়। তাই বলে আমরা ওই ভাষাকে ঘৃণাও করি না।” মরাঠাদের একজোট হওয়ারও ডাক দিয়েছেন রাজ। তাঁর কথায়, “এটা (বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের নির্বাচন) মরাঠি মানুষদের শেষ নির্বাচন। আজ যদি আপনি সুযোগ হারান, তা হলে শেষ হয়ে যাবেন। মরাঠি এবং মহারাষ্ট্রের জন্য একজোট হোন।”
১৯৯৭ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা ২৫ বছর বৃহন্মুম্বই পুরনিগম অবিভক্ত শিবসেনার দখলে ছিল। ২০২২ সালের পর এত দিন ওই পুরনিগমে নির্বাচন হয়নি। সরকার নিযুক্ত প্রশাসন পুরনিগমের দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করছিল। প্রায় চার বছর পরে আগামী বৃহস্পতিবার নির্বাচন হতে চলেছে ওই পুরনিগমে।