Era of PM Modi

মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের এক যুগ, নির্দেশ পুজোর

প্রায় সব বিষয়েই নেহরুকে কাঠগড়ায় তোলেন মোদী। প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদের হিসেবে এ বার তাঁকেও পিছনে ফেলার দাবি তুলল তাঁর দল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ০৮:১৭
Share:

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফাইল চিত্র।

নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে চলার জন্য প্রার্থনা করে বিজেপি তথা এনডিএ সাংসদরা গোটা দেশের মন্দির ও অন্য ধর্মীয় স্থানে পুজো ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর গদিতে মোদীর ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। বিজেপির দাবি, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদী এ বার জওহরলাল নেহরুকেও পিছনে ফেললেন। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও) আজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারতে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কা, পাপুয়া নিউ গিনি, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর রাষ্ট্রপ্রধানেরা।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৪ সালে ২৬ মে মোদী শপথ নেন। ২০২৪ সালে ৯ জুন তিনি তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এই সময়কালকে কাজে লাগিয়ে মোদী সরকারের ১২ বছরের সাফল্য তুলে ধরতে গোটা দেশে বিজেপি তথা এনডিএ প্রচারে নামছে। বিজেপি ও এনডিএ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও তাঁর নিরন্তর নেতৃত্ব প্রার্থনা করে প্রার্থনা করবেন বলেও ঠিক হয়েছে।

প্রায় সব বিষয়েই নেহরুকে কাঠগড়ায় তোলেন মোদী। প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদের হিসেবে এ বার তাঁকেও পিছনে ফেলার দাবি তুলল তাঁর দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেহরু ১৬ বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে ১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত তিনি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। ওই পাঁচ বছরকে বাদ দিয়ে বিজেপি দাবি করছে, মোদী এ বার টানা প্রধানমন্ত্রিত্বে থাকার নিরিখে নেহরুকেও ছাপিয়ে গেলেন। পদ্মশিবিরের ভাষ্য, দেশে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী থাকার জন্য রাষ্ট্রনেতারাও মোদীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

মোদী আজ তাঁর সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেছেন। এই সময়কালকে ‘বিশ্বাস, বিকাশ ও জনকল্যাণের ১২ বছর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। মোদী এক্স-হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘আমাদের সরকার গত ১২ বছরে বিশ্বাস, বিকাশ ও জনকল্যাণের প্রতি সমর্পিত থেকেছে। দেশের ১৪০ কোটি দেশবাসীর আশীর্বাদ ও ‘রাষ্ট্রই প্রথম’-এর ভাবনা থেকে আমাদের তরুণ, মহিলা ও কৃষক ভাই-বোনদের ক্ষমতায়নে কোনও কসুর করেনি। আমাদের চেষ্টার ফলে পরিকাঠামো থেকে ডিজিটাল বিপ্লবে আজ ভারত দুনিয়ায় পরিচিতি পেয়েছে। বিকশিত ভারতের সঙ্কল্পকে সত্যি করতে আমরা সেবা, সুশাসন ও সমৃদ্ধির এই পথে নিরন্তর এগোতে থাকব’।

সূত্রের খবর, বিজেপি ও এনডিএ-র শরিক দলের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা নিজের এলাকায় বিভিন্ন পরিকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলবেন।সেই সব প্রকল্পের কার্যকারিতা ও মানুষের জীবনে প্রভাব আমজনতার সামনে তুলে ধরবেন। মোদী সরকারের আমলে কী কী উন্নয়নের কাজ হয়েছে, বিভিন্ন উন্নয়ন, যোগাযোগ, জনপরিষেবা ক্ষেত্রে কী কী কাজ হয়েছে, তা-ও মানুষকে বোঝাবেন। সাংসদ এবং মন্ত্রীদের স্বচ্ছ ভারত অভিযান ও অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেওযোগাযোগ করবেন বিজেপি তথা এনডিএ নেতারা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন