(বাঁ দিকে) অভিযুক্ত সোনু যাদব। (ডান দিকে) এখানেই ‘এনকাউন্টার’ হয়। ছবি: সংগৃহীত।
বিহারের সিওয়ানে রবিবার সকালে ‘এনকাউন্টার’। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল হর্ষ সিংহ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সোনু যাদবের। পুলিশের দাবি, সোনু এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন। যদিও দু’দিন আগেই পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত তথা সোনুর সঙ্গী ছোটু যাদব আহত হন। তার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ছোটুকে ধরতে পারলেও সোনুর হদিস মিলছিল না।
পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কয়েকটি দল গঠন করে সোনুর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। অভিযুক্ত সোনু সিওয়ানের হুসেনগঞ্জের বাসিন্দা। রবিবার ভোরে সোনুর হদিস পায় পুলিশ। সরেয়া গ্রামে তাঁর হদিস মেলে। তার পরই পুলিশের বেশ কয়েকটি দল ওই গ্রামে অভিযান চালায়। পুলিশ যেতেই তাদের লক্ষ্য করে সোনু গুলি চালাতে শুরু করেন বলে দাবি। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। দু’পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ে সোনু গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করে।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ এপ্রিল একটি গাড়ি ওভারটেক করা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মনোজ সিংহের ভাগ্নে এবং তাঁর ভগ্নিপতি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। সেই সময় এক দল যুবকের সঙ্গে বচসা হয়। তার পর একটি উড়ালপুলের কাছে হর্ষদের গাড়ি ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি গুলি চালান কয়েক জন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হর্ষের। তাঁর বাবা চন্দন সিংহ গুরুতর জখম হন। এর পরই পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে তৎপর হয়। ঘটনার দু’দনের মধ্যে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু সোনুর নাগাল পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার সকালে সোনুকে গ্রেফতার করতে যায় পুলিশ। কিন্তু দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় দুষ্কৃতী সোনুর। তাঁর বিরুদ্ধে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পুলিশ। সোনুর বিরুদ্ধে ১০টিরও বেশি অপরাধের মামলা ঝুলছে বিভিন্ন থানা এলাকায়।