প্রতীকী ছবি।
উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরখেরীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত গ্যাংস্টারের মৃত্যু হল পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টারে’। মৃত ওই গ্যাংস্টারের নাম তালিব ওরফে আজ়ম খান। তিনি লখিমপুরখেরীরই বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, তালিবের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, গোহত্যা, ডাকাতি এবং গাড়িচুরি-সহ ১৭টি অপরাধের মামলা রয়েছে। তাঁর মাথার দাম ছিল এক লক্ষ টাকা।
দিন কয়েক আগে লখিমপুরখেরীর দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তালিবের বিরুদ্ধে। তার পর থেকেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। সোমবার গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর আসে, লখিমপুরখেরীর দিয়ারা সেতুর কাছে লাম্ভুয়া এলাকায় দুই সঙ্গী সলমন এবং মুখতারের সঙ্গে জড়ো হয়েছেন তালিব। ঘটনাচক্রে, সলমন এবং মুখতারও গণধর্ষণে অভিযুক্ত। খবর পেয়েই পুলিশের একটি দল দিয়ারা সেতুর কাছে অভিযানে যায়। পুলিশের দলটি সেখানে যেতেই তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করেন তালিব এবং তাঁর দুই সঙ্গী।
তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গুলির লড়াইয়ে তালিব জখম হন। তিনি পালাতে সক্ষম হননি। তবে সলমন এবং মুখতার পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তালিবকে উদ্ধার করে লাম্ভুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকে সুলতানপুর সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তিরত করা হয় তালিবকে। সেখানে নিয়ে গেলে তাঁকে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ সুপার কুঁয়ার অনুপম সিংহ জানিয়েছেন, লখিমপুরখেরীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় তালিব, সলমন এবং মুখতারকে খুঁজছিল পুলিশ। লখিমপুরখেরী এবং সুলতানপুরের ত্রাস ছিলেন তালিব। তাঁর গ্যাং এই দুই জায়গায় অত্যন্ত সক্রিয়।