এই দু’টি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে টাকা। ছবি: সংগৃহীত।
পাশাপাশি দাঁড় করানো কালোরঙা দু’টি গাড়ি। একটি বিএমডব্লিউ। অন্যটি একটি এসইউভি। বিএমডব্লিউর নম্বরপ্লেটে কায়দা করে ইংরেজি হরফে লেখা ‘ক্যাচ মি’। তার পাশে দাঁড় করানো গাড়িটিতে উত্তরপ্রদেশের নম্বরপ্লেট। লখনউয়ের স্মৃতি উপবন নামে একটি জায়গার কাছে সন্দেহজনক ভাবে দাঁড় করানো ছিল গাড়ি দু’টি।
শনিবার রাতে গাড়ি দু’টিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে টহলরত পুলিশভ্যান। আর গাড়ির ঠির পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তিন ব্যক্তি। তিন জনকে তাঁদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করে পুলিশ। গাড়ির নথি দেখতে চাওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তিন জনের কেউই নিজেদের পরিচয় দিতে পারেননি। দেখাতে পারেননি গাড়ির নথিও। পুলিশের আরও সন্দেহ বাড়ে দু’টি গাড়িতেই লাগানো ছিল কালোরঙা কাচ। আর গাড়ি দু’টি সবক’টি জানলার কাচ বন্ধ ছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই তাঁরা জানান, গাড়িতে টাকা গোনা চলছে। এ কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান পুলিশকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি দু’টিকে বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। খবর দেওয়া হয় কন্ট্রোল রুমেও। বিএমডব্লিউর দরজা খুলতেই দেখা যায় ভিতরে টাকার বান্ডিলে ঠাসা। ২৬ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয় গাড়ির ভিতর থেকে। তিন জনকে আটক করা হয়। এই টাকার উৎস কী তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ি দু’টির তথ্য যাচাই করে দেখা যায় বিএমডব্লিউ গাড়িটি শিবাংশু কুমার পান্ডের নামে নথিভুক্ত। আর কৃষ্ণকুমার সিংহের নামে নথিভুক্ত এসএইউভি। টাকাগুলি বাজেয়াপ্ত করে আয়কর দফতরকে খবর দেয় পুলিশ।