Congress-BJP

বিজেপিকে জোড়া তির খড়্গে এবং রাহুলের

দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের কথায়, এই এগারো বছরে দেশের ‘গণতন্ত্র, অর্থনীতি, এবং সামাজিক বিন্যাসে’ ‘গভীর ধাক্কা’ লেগেছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি এবং আরএসএস সাংবিধানিক সংস্থাগুলি এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৫ ০৯:০৫
Share:

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মল্লিকার্জুন খড়্গে। —ফাইল চিত্র।

মোদী সরকারের এগারো বছর পূর্তির সকালে সমালোচনার তির ছুড়ল প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের কথায়, এই এগারো বছরে দেশের ‘গণতন্ত্র, অর্থনীতি, এবং সামাজিক বিন্যাসে’ ‘গভীর ধাক্কা’ লেগেছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি এবং আরএসএস সাংবিধানিক সংস্থাগুলি এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করেছে।

এ দিনই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও মোদী সরকারকে কটাক্ষ করেন এই বলে যে, সরকার বর্তমান বিষয়ে না বলে ২০৪৭ সালের স্বপ্ন বেচছে। নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘যখন মোদী সরকার তাদের ১১ বছর উদ্‌যাপন করছে, তখন দেশের বাস্তব পরিস্থিতি মুম্বইয়ের ঘটনাতেই স্পষ্ট: ট্রেন থেকে পড়ে বেশ কয়েক জন মারা গিয়েছেন। ভারতীয় রেল কোটি কোটি মানুষের ভরসা। কিন্তু আজ সেই রেল নিরাপত্তাহীনতা, জটে আটকে থাকা এবং বিশৃঙ্খলার প্রতীক।’

খড়্গেও লিখেছেন, “গত এগারো বছরে বিজেপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করার চেষ্টা করে চলেছে।” অর্থনীতি থেকে সামাজিক উত্থান— বিজেপির ‘ভাষ্যের’ পাল্টা দিতে চেয়ে কংগ্রেসের সভাপতির বক্তব্য, “সমাজে ঘৃণা এবং বিদ্বেষ বেড়েছে।” মণিপুরকে দৃষ্টান্ত করে তিনি বলেন, “হুমকি, ভয় এবং ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার ধারাবাহিক চেষ্টা চলছে আজকের সমাজে। দলিত, জনজাতি, পিছড়ে বর্গ, সংখ্যালঘু, দুর্বল শ্রেণির উপর শোষণ বাড়ছে। তাদের সংরক্ষণের অধিকার, সমানাধিকার না দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।”

খড়্গে আরও বলেন, “বিজেপি-আরএসএস দেশের জিডিপি-র বৃদ্ধিকে ৫-৬ শতাংশের মধ্যে আটকে ফেলেছে। ইউপিএ-র সময়ে তা গড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত ছিল।” চাকরির প্রতিশ্রুতি রাখা তো দূর, যুব সম্প্রদায়ের চাকরি ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও তাঁর অভিযোগ। তাঁর দাবি, “মূল্যবৃদ্ধির ফলে মানুষের সঞ্চয় গত পঞ্চাশ বছরে সর্বনিম্ন এখন। অর্থনৈতিক অসাম্য খুব বেশি। মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া ইত্যাদি সমস্ত যোজনা ব্যর্থ।” মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোট নিয়ে রাহুলের তোলা অভিযোগগুলিকে সাজিয়ে পোস্ট করেছেন খড়্গে। সেখানে, মহারাষ্ট্রে ব্যাখ্যাহীন ভোটার সংখ্যা, ভোটদানকারীর সংখ্যার বৈষম্য, ভোটার তালিকা প্রকাশ্যে না আনার মতো অভিযোগগুলিকে ফের তুলে ধরেছেন কংগ্রেস সভাপতি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন