নীতীশ কুমার। —ফাইল চিত্র।
অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারে তিনি রেলমন্ত্রী ছিলেন। তার পরে দু’দশকের বেশি সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে থেকেছেন। সেই নীতীশ কুমার রাজ্যসভায় আসার পরে তাঁর ভাগ্যে জুটল শুধু রেল মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ।
নীতীশকে মুখ করে এনডিএ বিহারে ক্ষমতায় এলেও তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে বিজেপি নিজেদের দলের নেতা সম্রাট চৌধরিকে মুখ্যমন্ত্রী করেছে। বিনিময়ে সংসদে নীতীশকে বিশেষ কোনও দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না, কোনও কমিটির চেয়ারম্যান করা হবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল। কিন্তু রেল মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির সদস্যপদই মিলেছে তাঁর। এনডিএ-র আর এক শরিক দলের নেতা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহাকেও রেল মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সব সাংসদকেই কোনও না কোনও কমিটির সদস্য করা হয়।
বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল একগুচ্ছ নতুন মুখকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। রাজীব বেশ কিছু দিন পশ্চিমবঙ্গের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের সচিব ছিলেন। অভিনেত্রী কোয়েল ওরফে রুক্মিণী মল্লিককে শ্রম মন্ত্রকের, আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে আইন মন্ত্রকের, বাবুল সুপ্রিয়কে শিক্ষা, নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে মনোনীত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় বিজেপির নতুন সাংসদ রাহুল সিংহ বাণিজ্য মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হয়েছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে