রায় ঘোষিত হওয়ার পর বম্বে হাইকোর্ট থেকে বেরিয়ে আসছেন সলমন খান। ছবি: এএফপি।
আদালতের রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সলমন খান। বম্বে হাইকোর্টের এজলাসে দাঁড়িয়েই বেসামাল হয়ে পড়লেন। আবেগ চাপতে পারলেন না। তবে ওইটুকুই। এজলাসের বাইরে বেরনোর আগেই সামলে নেন নিজেকে। আদালত থেকে বাড়ি পৌঁছনো পর্যন্ত কোথাও বিন্দুমাত্র উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন না। শেষমেষ টুইটারে সাবধানী মন্তব্য — বিচারবিভাগের সিদ্ধান্ত বিনম্রতার সঙ্গে গ্রহণ করছি।
‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় আদালত তাঁকে রেহাই দেওয়ার পর প্রকাশ্যে মাতামাতি একেবারেই করেননি সলমন। বহু বিনিদ্র রাত কাটানোর পর স্বস্তিতে বলিউডের ‘ভাইজান’। তাই আর কোনও বিতর্ক চাইছেন না।
বিতর্ক চাইছেন না বলেই বম্বে হাইকোর্ট থেকে এত বড় স্বস্তি পাওয়ার পরও এত সাবধানী প্রতিক্রিয়া সলমন খানের। বলছে ভাইজানের ঘনিষ্ঠ মহল। সলমন টুইটারে লিখেছেন, ‘‘আমি বিচারবিভাগের সিদ্ধান্তকে বিনম্রতার সঙ্গে গ্রহণ করছি। আমাকে সমর্থন করার জন্য এবং আমার হয়ে প্রার্থনার জন্য পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’’ যে মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার পর সলমনের এই প্রতিক্রিয়া, সেই মামলা যে স্পর্শকাতর, তা সলমন ভালই জানেন। তাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আর কারও বিরাগভাজন হতে চাইছেন না।
সলমনের বাড়ির সামনে এ দিন অনুরাগীদের ভিড় ছিল প্রচুর। প্রিয় বলিউড স্টারের রেহাইয়ের খুশিতে তাঁরা বাজি পুড়িয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তবে সলমন নিজে সেই ‘গণ-হিস্টিরিয়া’য় অংশ নেননি। প্রবল ভিড় এড়াতে সলমনক এ দিন পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢোকেন। অনুরাগীরা আশা করেছিলেন, ভাইজান ব্যালকনিতে এসে এক বার অন্তত হাত নাড়াবেন তাঁদের উদ্দেশে। তবে সন্ধে পর্যন্ত সলমনকে বাইরে দেখা যায়নি।