Police Investigation

শিশুকে যৌন হেনস্থা, খুনে গ্রেফতার স্কুলের কর্মী

অভিযুক্ত মুকেশ ওরফে সুদামা (৪৬)-কে জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েক বছর আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। এই নিয়ে স্কুলের পড়ুয়ারা তাকে প্রায়শই ‘নপুংসক’ বলে রাগাত।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৮
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

পটনার কাছে একটি স্কুলে পড়তে যাওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় মৃত্যু হয়েছিল পাঁচ বছরের এক শিশুর। সেই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে এ বার স্কুলের ক্যান্টিনের তত্ত্বাবধানে থাকা এক কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশি জেরায় সে অপরাধ স্বীকার করে জানিয়েছে, শিশুটিকে যৌন হেনস্থার পরে তার গলা চিরে দেয় সে। স্কুল চত্বর থেকেই একটি ব্লেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আগেই স্কুলের প্রিন্সিপাল তরুণ কুমারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

অভিযুক্ত মুকেশ ওরফে সুদামা (৪৬)-কে জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েক বছর আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। এই নিয়ে স্কুলের পড়ুয়ারা তাকে প্রায়শই ‘নপুংসক’ বলে রাগাত। পাশাপাশি, পুলিশ জানতে পেরেছে, মুকেশের সঙ্গে হস্টেল কর্তৃপক্ষেরও কিছু বিষয়ে বনিবনা হত না। অভিযুক্ত তাই মাঝেমধ্যেই কর্তৃপক্ষকে হস্টেলের বদনাম করে দেওয়ার হুমকি দিত।

পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার রাতে মুকেশ ওই শিশুটিকে ভুলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায় এবং যৌন হেনস্থা করে। সে চিৎকার করতে পারে বা তার অপরাধের কথা অন্যদের বলে দিতে পারে, এই ভয়ে অভিযুক্ত ব্লেড দিয়ে শিশুটির গলা চিরে দেয়। এবং অপরাধ ঢাকতে দেহটি হস্টেলের সিঁড়ির নীচে লুকিয়ে রাখে।

সোমবার সকালে স্কুলের প্রিন্সিপাল তরুণ কুমার শিশুটির বাবাকে জানান, তাঁর ছেলে হঠাই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর পরে শিশুটির মৃত্যু হয়।

শিশুটির বাবা এফআইআরে জানিয়েছিলেন, শিশুটির গলায় এবং যৌনাঙ্গে ধারাল অস্ত্র দিয়ে চেরা হয়েছে। এ ছাড়াও, তার পেটের বাঁ দিকে, গালে এবং দুই ভ্রু-র মাঝেখানে গভীর ক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি, গণধর্ষণের অভিযোগও করা হয়েছিল শিশুটির পরিবারের তরফে।

এই ঘটনায় স্কুলের প্রিন্সিপাল ছাড়াও এক শিক্ষক এবং দু’জন অশিক্ষক কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পরেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন