Special Intensive Revision

২২ বছর পর মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলন ছেলের মধ্যপ্রদেশে! সৌজন্যে এসআইআর

পুলিশের জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলার বাসিন্দা বিনোদ গাইরির নাম ছিল না ভোটার তালিকায়। নাম তোলার প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে তাঁকে তাঁর বাবা-মায়ের এপিক নম্বর বা ভোটার কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:২২
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন। ওই বিয়ে না-মানায় ২২ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন এক ব্যক্তি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কারণে নিজের বাড়ি ফিরলেন ওই যুবক। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর মায়ের সঙ্গে হল পুনর্মিলন। ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলার।

Advertisement

দেশে এখন চলছে এসআইআরের কাজ। পুলিশের জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের মন্দসৌর জেলার বাসিন্দা বিনোদ গাইরির নাম ছিল না ভোটার তালিকায়। নাম তোলার প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে তাঁকে তাঁর বাবা-মায়ের এপিক নম্বর বা ভোটার কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়েছিল। এর পর তিনি তাঁর বাড়ির পঞ্চায়েতে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে বিনোদের মা তাঁর ছেলেকে খুঁজে বার করার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ২২ বছর আগে বিনোদ ধানগর সম্প্রদায়ের ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন। ওই বিয়েতে দু’পরিবারের কারও মত ছিল না। সেই থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। এর পর সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে রাজস্থানে নতুন সংসার পেতেছিলেন বিনোদ। সেখানে একটি বেসরকারি স্কুলে পিয়নের কাজ শুরু করেন। তার পর আর বাড়ি ফেরেননি তাঁরা।

Advertisement

মন্দসৌরের পুলিশ সুপার বিনোদ কুমার মীনার নির্দেশে মধ্যপ্রদেশের নৈ আবাদি থানার ইনচার্জ সাব ইন্সপেক্টর কুলদীপ সিংহ রাঠোরের নেতৃত্বে একটি দল গঠন করা হয়। পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রদেশ পুলিশ রাজস্থানের নাগৌর জেলা থেকে বিনোদকে খুঁজে বার করে তারা। নৈ আবাদি পুলিশ পরবর্তীতে বিনোদ, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের মন্দসৌর নিয়ে আসে এবং দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর তাঁকে তাঁর মায়ের সঙ্গে পুনর্মিলিত করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement