Maharashtra Murder

সম্পত্তির মামলায় বাবার কাছে হার! কোর্ট থেকে ফেরার পথে সেই বাবাকেই কুপিয়ে খুন ক্রুদ্ধ ছেলের, মহারাষ্ট্রে গ্রেফতার

মহারাষ্ট্রের শম্ভাজিনগরের বাসিন্দা ৮২ বছরের জাফর কামারুদ্দিন সইদ পটেল জলসম্পদ দফতরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। বাড়ি নিয়ে তাঁর সঙ্গে তাঁর পুত্রের কলহ লেগেই থাকত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১২:৫৮
Share:

(বাঁ দিকে) মহারাষ্ট্রে নিহত বৃদ্ধ জাফর কামারুদ্দিন সইদ পটেল। বাবাকে খুন করেছেন পুত্র আব্দুল রহমান আব্দুল জাফর (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

সম্পত্তির মামলায় হেরে গিয়েছিলেন নিজের বাবার কাছে। আইনি পথে লড়াই করে ছেলেকে বাড়ি থেকে উৎখাত করতে পেরেছিলেন ৮২ বছরের বৃদ্ধ। কিন্তু সেই বাড়ি ভোগ করা হল না। আদালত থেকে ফেরার পথেই বাবাকে কুপিয়ে খুন করলেন পুত্র। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

Advertisement

মহারাষ্ট্রের শম্ভাজিনগরের বাসিন্দা জাফর কামারুদ্দিন সইদ পটেল। জলসম্পদ দফতরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী তিনি। অভিযোগ, তাঁর পুত্র আব্দুল রহমান আব্দুল জাফর তাঁর উপর নিয়মিত অত্যাচার করতেন। মারধর করতেন বৃদ্ধ বাবাকে। আব্দুল পেশায় মেডিক্যাল রিপ্রেজ়েন্টেটিভ। দীর্ঘ দিন ধরে বাবার সঙ্গে তাঁর সংঘাত চলছিল। বাবাকে বাড়ি থেকে বার করেও দিয়েছিলেন।

ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে না-পেরে পুণেয় মেয়ের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ। সেখান থেকেই আদালতে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা লড়ছিলেন। গত দু’বছর ধরে সেই মামলা চলেছে। ছেলেকে বাড়ি থেকে হটিয়ে নিজের বাড়ি পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন তিনি। আদালত সম্প্রতি তাঁর পক্ষে রায় দেয়। বাবার বাড়ি ছেড়ে দিতে বলা হয় আব্দুলকে। শুনানি শেষ হওয়ার পর মেয়ের সঙ্গে অটোয় বাড়ি ফিরছিলেন বৃদ্ধ। অভিযোগ, আদালতের রায়ে ক্রুদ্ধ আব্দুল সেখানে পৌঁছোন এবং অটো দাঁড় করিয়ে দেন। তার পর প্রকাশ্যেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবাকে একের পর এক আঘাত করেন। বাধা দিতে গেলে আক্রান্ত হয়েছেন বৃদ্ধের কন্যাও। রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। আদালতের রায়ের কারণেই এই কাণ্ড তিনি ঘটিয়েছেন, না অন্য কোনও কারণ ছিল, আগে থেকে এই খুনের পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছিল কি না, খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement