প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
নরেন্দ্র মোদী সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে যে বেশ কয়েক জন বাদ পড়তে চলেছেন, তার ইঙ্গিত মিলল। যে দু’জন প্রতিমন্ত্রীর রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে, তাঁদের কাউকেই আর রাজ্যসভায় প্রার্থী করল না বিজেপি। প্রথম জন রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় জিতে আসা রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিংহ বিট্টু। আগামী বছর পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি সূত্রের মতে, বিট্টুকে নিজের রাজ্যে বিজেপির সংগঠন মজবুত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে। অন্য জন হলেন মধ্যপ্রদেশ থেকে জিতে আসা কেন্দ্রীয় মৎস্য ও পশুপালন দফতরের প্রতিমন্ত্রী, কেরলের জর্জ কুরিয়েন। মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী হচ্ছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ। বিজেপির ছ’জন জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে একমাত্র সুনীল বনসল বাদে বাকি সকলেই রাজ্যসভায় সাংসদ হয়েছেন বা এখন আছেন। একমাত্র বাকি রইলেন সুনীল বনসল। যিনি সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। রাজস্থান থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সতীশ পুনিয়া ও অলকা গুর্জ্জরকে। মণিপুর থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে দলের বর্ষীয়ান নেত্রী শারদা দেবীকে। তিনি কেন্দ্রে মন্ত্রী হতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। ওড়িশা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দেবাশিস সন্মত্রয়কে। সম্প্রতি বিজু জনতা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
কংগ্রেস কর্নাটক থেকে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের সঙ্গে জনসংযোগ দফতরের প্রধান পবন খেরা ও এআইসিসি-র সচিব মনসুর আলি খানকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মনসুর কেরলের ভারপ্রাপ্ত এআইসিসি-র সচিব হিসেবে বিধানসভা ভোটে সাফল্য এনেছেন। খেরাকে প্রথমে হেমন্ত সরেনের জেএমএম-এর সমর্থনে ঝাড়খণ্ড থেকে প্রার্থী করার কথা ভাবা হয়। কিন্তু সরেন কোনও বহিরাগতকে রাজ্যসভায় পাঠাতে রাজি নন। তাই মল্লিকার্জুন খড়্গের দফতরের জনসংযোগের ভারপ্রাপ্ত প্রণব ঝা-কে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ থেকে কমল নাথ রাজ্যসভার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেও বাছা হয়েছে রাহুল গান্ধীর আস্থাভাজন মীনাক্ষি নটরাজনকে। তামিলনাড়ু থেকে বিজয়ের টিভিকে-র সমর্থনে রাহুল-ঘনিষ্ঠ প্রবীণ চক্রবর্তী রাজ্যসভায় যাবেন। রাজস্থান থেকে দীনেশ ডাঙ্গিকে রাজ্যসভায় পাঠানো হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে